হোম > খেলা

সিডনি টেস্ট খেলেই অবসরে খাজা

স্পোর্টস ডেস্ক

উসমান খাজার অবসর নিয়ে কদিন ধরেই ক্রিকেট পাড়ায় গুঞ্জন চলছিল। টক শোতে আলোচনার ঝড় তুলছিলেন সাবেক ক্রিকেটাররা। এবার খাজা নিজেই জানালেন, সিডনিতে অ্যাশেজের শেষ টেস্টই হতে যাচ্ছে দেশের জার্সিতে ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের ঠিক ১৫ বছরের মাথায় অবসরের ঘোষণা দিলেন খাজা। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম মুসলিম ক্রিকেটার হিসেবে সিডনিতেই দেড় দশক আগে অভিষেক হয়েছিল খাজার। এবার সিডনিতেই শেষ হচ্ছে ক্যারিয়ার।

অবসরের কথা বলতে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সংবাদ সম্মেলন কক্ষে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন খাজা। অবসরের ব্যাপারে তার ভাষ্য, ‘আমি এটা নিয়ে ভাবছিলাম, পুরোপুরি নয়, তবে বেশ কিছুদিন ধরেই। এই সিরিজে আসার সময় আমার মাথায় কাজ করছিল যে সম্ভবত এটাই হতে যাচ্ছে আমার শেষ সিরিজ।’

খাজা আরো বলেন, ‘আমি রেচেলের (খাজার স্ত্রী) সাথে এটা নিয়ে বেশ আলোচনা করেছি এবং আমি জানতাম যে এটাই বড় সুযোগ। আমি দরজা একেবারে পুরোপুরি বন্ধ করে দিইনি, কারণ আমি জানতাম যে খেলা চালিয়ে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকতে পারে। এমনকি কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ডও একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত, যখন আমি কয়েক দিন আগে তাকে জানালাম তিনি তখনও ভাবছিলেন কীভাবে আমাকে (২০২৭ সালের) ভারত সফর পর্যন্ত দলে রাখা যায়।’

‘আমি খুশি যে আমি নিজের মতো করে বিদায় নিতে পারছি, কিছুটা মর্যাদা নিয়ে এবং আমার প্রিয় এই এসসিজিতেই শেষ করতে পারছি। তবে আমার মনে হয় এই সিরিজের শুরুটা বেশ কঠিন ছিল। এরপর অ্যাডিলেডে গিয়ে যখন দেখলাম শুরুতে আমি একাদশে নেই, সেটাই সম্ভবত আমার জন্য সংকেত ছিল যে—ঠিক আছে, এবার এগিয়ে যাওয়ার সময় হয়েছে।’ - আরও যোগ করেন তিনি।

২০১০-১১ সিরিজে শেষ টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক হয়েছিল খাজার, এই সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। সেখানেই একই প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলে ক্যারিয়ার শেষ করতে চলেছেন তিনি। ৮৭ ম্যাচে ৬২০৬ রান ও ১৬ সেঞ্চুরি নিয়ে শেষ টেস্ট খেলতে নামবেন খাজা।

বিপিএলে চট্টগ্রাম রয়্যালস-ঢাকা ক্যাপিটালসের লড়াই

ব্যাটিং অর্ডার বদলে ইমনের রান বন্যা

সুপার ওভার রোমাঞ্চে রাজশাহীর জয়

বছরটা সাফল্যে রাঙাতে চান তপু-আমিরুল-বন্যারা

হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন রবার্তো কার্লোস

হাঁটুর চোটে দর্শক এমবাপ্পে

অধিনায়ক লিটনকে শামীমের ধন্যবাদ

নতুন বছরে ভক্তদের সুখবর নেইমারের

আফ্রিকার শ্রেষ্ঠত্বে শেষ ষোলোর লড়াই

স্পিনে শক্তি বাড়িয়ে প্রাথমিক স্কোয়াড অস্ট্রেলিয়ার