ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ফেডারেশনগুলোর বৈঠক
জাতীয় পর্যায়ের সব খেলোয়াড়কে বেতনের আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। আজ দেশের ক্রীড়া ফেডারেশন ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এমন উদ্যোগের কথা জানান তিনি। আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা ফেডারেশনগুলোর কাছে এক সপ্তাহের মধ্যে গত এক বছরের কর্মকাণ্ডের প্রতিবেদন চেয়েছি। এটা আমাদের মূল্যায়ন ও পরিকল্পনায় সহায়ক হবে।’
এরই মধ্যে ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে রূপরেখা দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ফেডারেশনগুলোর কাছে আমরা জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের তালিকা চেয়েছি। আমরা তাদের বেতনের আওতায় আনতে চাই। সরকারের পক্ষ থেকে খেলোয়াড়দের বেতনের ব্যবস্থা করা হবে। কোন খেলোয়াড়কে কোন গ্রেডে-এগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে। রোজার মধ্যে এগুলো করে ঈদের পর বাস্তবায়ন করতে চাই।’
অন্যদিকে, ক্রীড়াঙ্গনে সুন্দর ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজন করতে চান নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা সুন্দর ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নির্বাচন আয়োজন করতে চাই। উপজেলা, জেলা-বিভাগ থেকে শুরু হবে নির্বাচনি প্রক্রিয়া। এরপর ফেডারেশনে হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘৫১ ফেডারেশনের মধ্যে অনেক ফেডারেশন ফাংশন করতে পারছে না। কেন পারছে না-সেগুলো আমরা দেখব। সমজাতীয় খেলাগুলোকে একটা সংস্থার অধীনে আনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।’ খেলার সরঞ্জামাদি আমদানির ক্ষেত্রে কর মওকুফ কিংবা কর হ্রাসের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগও নেওয়া হবে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
বিসিবির প্রতিনিধি হিসেবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি ফারুক আহমেদ ও বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন। এ বৈঠক শেষে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আসলে আমি ক্রিকেট বোর্ডকে প্রতিনিধিত্ব করতে এসেছি। নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছি, তিনি একজন খেলোয়াড় মানুষ। তিনি অত্যন্ত চমৎকারভাবে সভা শুরু করেছেন। তার ভিশনটা আমাদের বলেছেন। আমাদের মাঠ দরকার; সেই মাঠগুলোতে তিনি সাহায্য করবেন। ক্রীড়া কার্যক্রমে ঢোকাবেন। কারিকুলামে কিছু স্পোর্টস, ক্রীড়া শিক্ষক রয়েছে। যে কটি (৫২টি) ফেডারেশন রয়েছে, সবগুলোর সমস্যা, সুবিধা-অসুবিধাগুলো তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন; নোট নিয়েছেন। আমি আশা করি, এগুলো নিয়ে কাজ হবে।’