হোম > খেলা

যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় ক্যারিয়ার হুমকির মুখে কলির!

স্পোর্টস রিপোর্টার

দেশসেরা শুটার কামরুন নাহার কলিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশন। গত ১ জানুয়ারি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে কলির নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে একটি চিঠির মাধ্যমে বরখাস্তের বিষয়টি জানানো হয়। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আরা বেগম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বরখাস্তের কারণ হিসেবে বলা হয়, ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ ৫, ১২, ১৩ ও ১৪ ধারা ভঙ্গ করেছেন কলি। এই শুটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ফেডারেশনের অনুমতি না নিয়ে মিডিয়ায় কথা বলা, শুটারদের বিভ্রান্তিমূলক কথা বলে নিরুৎসাহিত করা, রাজনীতি ও গ্রুপিং করেছেন। কেন এই বরখাস্ত স্থায়ী করা হবে না, সে বিষয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিসের জবাব দিতেও বলা হয়েছে কলিকে।

বেশ কিছুদিন ধরে শুটিং ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিএম হায়দার সাজ্জাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানিসহ নানা অভিযোগ করে আসছিলেন এই শুটার। গত ২৬ নভেম্বর গুলশান থানায় সাজ্জাদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেন তিনি। তার সঙ্গে আরো কয়েকজন শুটারও এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করেছেন। এ কারণেই কি শেষ পর্যন্ত কলিকে বরখাস্ত করা হলো? এমন প্রশ্নের জবাবে শুটিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আরা বেগম আমার দেশকে বলেন, ‘ঠিক এক কারণে নয়, আমরা তো চিঠিতে বলেই দিয়েছি ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ এর কথা।’ কলির বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ—সেটি অবশ্য সুস্পষ্ট করে বলতে পারেননি ফেরদৌস আরা। তিনি বলেন, ‘সে ডরমেটরিতে থাকার কথা ছিল। কিন্তু সে থাকে বাসায়। তাকে আমরা ছুটিও দিয়েছি। কিন্তু সে নিয়ম মানেনি। শুটিংয়ে না এসে মিডিয়ায় আমাদের বিরুদ্ধে নানা কথা বলে বেড়াচ্ছে। সে যে অভিযোগগুলো করেছে, তাকে আমরা আটকে চার ঘণ্টা নির্যাতন করেছি, এসবের কিছুই হয়নি। সে আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনেক সমস্যা করেছে।’ কী কী সমস্যা করেছেন কলি? এই প্রশ্নের জবাবে ফেরদৌস আরা বলেন, ‘আমার পক্ষে লাইন বাই লাইন বলে সম্ভব না।’

ইতোমধ্যে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ মাথায় নিয়েই শুটিং ফেডারেশন ছাড়লেন সাজ্জাদ। গত ১ জানুয়ারি বিতর্কিত সাজ্জাদকে কমিটি থেকে অব্যাহতি দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। ক্রীড়া পরিষদের সঙ্গে যোগসাজশেই ফেডারেশনের কমিটিতে জায়গা ভাগিয়ে নেন সাজ্জাদ। সার্চ কমিটি তার নাম প্রস্তাব করেনি। সাজ্জাদের অব্যাহতি পাওয়ার দিন বরখাস্তের চিঠি পাওয়ায় ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন বলে মনে করেন শুটার কলি। তিনি আমার দেশকে বলেন, ‘আলেয়া ফেরদৌস (ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক) সাজ্জাদদের কথা অনুযায়ী চলেন। তো সেক্ষেত্রে সাজ্জাদ যেহেতু এক তারিখে অব্যাহতি পেয়েছে, সেহেতু সে যাওয়ার আগে আমাকে বহিষ্কার করে দিয়ে গেল। কোড অব কন্ডাক্টে রেখে তারা চাইলে কি আমাকে মেরে ফেলতে পারবে বা আমাকে টর্চার করতে পারবে? তারা যৌন নিপীড়ন করবে কোড অব কন্ডাক্টের মধ্যে রেখে, আর আমি কি কিছুই বলতে পারব না? সাজ্জাদকে শুধু কমিটি থেকে বাদ দিলেই হবে না, তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।’ যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করে এখন ক্যারিয়ারই শেষ হতে চলেছে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ফাইনালিস্ট নারী শুটার কলির। ফেডারেশনের বরখাস্তের কারণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সব প্রতিযোগিতায় তার অংশ নেওয়া এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়ল।

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় অনিশ্চিত ফিনালিসিমা, কাতার থেকে সরে যেতে পারে ম্যাচ

তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ দেখছেন শাহিন শাহ

স্লটের শততম ম্যাচে হারের তিক্ত স্বাদ পেল লিভারপুল

শেষ মুহূর্তের গোলে বার্সাকে বাঁচালেন ইয়ামাল

লক্ষ্যটা এক ঢিলে দুই পাখি শিকার!

পাকিস্তান সিরিজ শেষে হবে মিরাজের অধিনায়কত্বের সিদ্ধান্ত!

অভিজ্ঞ বাংলাদেশ বনাম নতুন পাকিস্তান

১১ গোল হজমের টুর্নামেন্টে কী পেল বাংলাদেশ

টিভির পর্দায় বাংলাদেশ-পাকিস্তান প্রথম ওয়ানডেসহ আরও যত খেলা

আইসিসির প্রাইজমানির চেয়ে বেশি বোনাস হিসেবে পাচ্ছে ভারতের চ্যাম্পিয়ন ক্রিকেটাররা