জাতীয় ক্রিকেট লিগে প্রথম ও দ্বিতীয় রাউন্ডে বেশিরভাগ ম্যাচই হয়েছে ড্র। তবে তৃতীয় রাউন্ডে এসে জয় দেখেছে খুলনা, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগ। খুলনার হয়ে ৫ উইকেট পেয়েছেন কনকাশন বদলি হিসেবে নামা বাঁহাতি স্পিনার রাকিব হাওলাদার। ৫ উইকেট পেয়েছেন রাজশাহীর পেসার শফিকুল ইসলাম এবং সিলেটের বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদও।
বদলি রাকিবই জেতালেন খুলনাকে
সামিউন বসীরের কনকাশন সাব হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন রাকিব হাওলাদার। সেই রাকিবই শেষমেশ খুলনার ম্যাচ জয়ের নায়ক হলেন। গত মঙ্গলবার বদলি হিসেবে নেমেই নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। বুধবার নেন আরও ১ উইকেট। আর তাতে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকেই ৫ উইকেট পাওয়ার কীর্তি গড়েন খুলনার এই বাঁহাতি স্পিনার।
সিলেটে চট্টগ্রাম-খুলনার ম্যাচটিতে লড়াই হয়েছে সমানে সমান। শেষদিন জয়ের জন্য ১০১ রান দরকার ছিল চট্টগ্রামের। তবে এদিন রাকিবের চেয়ে চট্টগ্রামকে বেশি ভুগিয়েছেন মেহেদী হাসান রানা। এই বাঁহাতি পেসারের দাপটেই ২৭৫ রান তাড়া করতে নেমে চট্টগ্রাম গুটিয়ে গেছে ২৬৪ রানে।
৩ ম্যাচের দুটিতে জিতে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে খুলনা।
রাজশাহীর প্রথম জয়, বরিশালের তৃতীয় হার
জাতীয় ক্রিকেট লিগের এবারের টুর্নামেন্টে প্রথম দুই ম্যাচে হার দেখেছিল বরিশাল। তৃতীয় ম্যাচেও সেই হারই জুটল তাদের ভাগ্যে। রাজশাহীতে ৪৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১১ ওভারেই জয় পেয়ে যায় স্বাগতিকরা।
৫ উইকেটে ২৪৯ রান নিয়ে দিন শুরু করে দ্বিতীয় ইনিংসে বরিশাল অলআউট হয় ২৭৪ রানে। ৫ উইকেট পেয়েছেন রাজশাহীর বাঁহাতি পেসার শফিকুল ইসলাম। এটি এই সংস্করণে তার দ্বিতীয় ৫ উইকেট।
নাসুম-নাঈমের স্পিনে জিতল সিলেট
জয় পেয়েছে সিলেটও। চট্টগ্রামে রংপুরকে ৩৭ রানে হারিয়েছে তারা। ৮ উইকেটে ২৩৫ রান নিয়ে দিন শুরু করে ২ রান যোগ করেই অলআউট হয় সিলেট। ৯৪ রান করেন অমিত হাসান।
২১১ রানের লক্ষ্য পাওয়া রংপুর ২ উইকেটে তুলে ফেলেছিল ১০২ রান। এরপরই শুরু হয় ব্যাটিং ধস। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭৩ রানে থামে রংপুরের ইনিংস। ৬৯ রানে ৫ উইকেট নেন নাসুম। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তার ১২তম ৫ উইকেট। দুই ইনিংসে ৪টি করে উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা নাঈম আহমেদ।
কক্সবাজারে ম্যাড়মেড়ে ড্র
ঢাকা-ময়মনসিংহ ম্যাচের ড্র আগে থেকেই অনেকটা নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। তবে আক্ষেপ থেকে গিয়েছে আরিফুল ইসলামের। ৯২ রানে আউট হয়ে সেঞ্চুরির সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে তরুণ ব্যাটারের। তার আউটের পরপরই ড্র মেনে নেয় দুদল।
কক্সবাজারে ৯ উইকেটে ৩৪২ রান নিয়ে দিন শুরু করা ঢাকার প্রথম ইনিংস থামে ৩৭৭ রানে। এরপর ময়মনসিংহ দ্বিতীয় ইনিংসে করে ৩ উইকেটে ১৬৭ রান।