শুরুটা ছিল বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে, শেষদিকে পাল্টে গেল চিত্র। এশিয়ান গেমস ক্রিকেটের ব্রোঞ্জ পদকের বাংলাদেশের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬৫ রান করেছে শ্রীলঙ্কা। টস হেরে বোলিং নেওয়া বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৩ ওভার পর্যন্ত চাপে থাকা লঙ্কানরা শেষ সাত ওভারে ঝড় তুলে লড়াইয়ের পুঁজি গড়ে নেয়।
দুই প্রান্তে স্পিন দিয়ে আক্রমণ শুরু করে বাংলাদেশ। ঘূর্ণির সামনে প্রথম চার ওভারের মধ্যেই চার উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তানের বিপক্ষে একাদশে না থাকা আলিস আল ইসলাম এদিন দারুণ বোলিং করেন। প্রথম স্পেলে ৩ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে নেন এক উইকেট। তার ১৮ বলের ১২টিই ছিল ডট।
শেখ মেহেদী হাসানও ছিলেন কার্যকর। ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন তিনি। আগের ম্যাচে বোলিং না করা সাইফ হাসানকে এদিন বল হাতে ব্যবহার করেন অধিনায়ক লিটন দাস। প্রথম দুই ওভারে ১৮ রান দেন সাইফ।
তবে ১৪তম ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানকে আক্রমণে আনার পরই ম্যাচের গতিপথ বদলে যায়। প্রথম ওভারেই ২৫ রান দেন বাঁহাতি পেসার। বিরতির পর দ্বিতীয় ওভারে দেন আরও ১১ রান। শেষ পর্যন্ত ১৩ থেকে ১৮—এই ছয় ওভারেই ৮৩ রান তুলে নেয় শ্রীলঙ্কা।
১৮ ওভারে ১৪৭ রান তুলে ফেলেছিল তারা। এরপর মোস্তাফিজ নিজের তৃতীয় ওভারে কিছুটা ছন্দে ফেরেন। প্রথম বলেই ফিফটি করা থারিন্ডু রত্ননায়েকে ফিরিয়ে ওই ওভারে মোট ৭ রান দেন তিনি। শেষ ওভারে সাইফ হাসান দুটি উইকেট নিলে ১৬৫ রানে থামে শ্রীলঙ্কা।
বাংলাদেশের হয়ে শেখ মেহেদী ২ উইকেট নেন, আলিস ও মোস্তাফিজও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট পান। এখন ব্রোঞ্জ জিততে বাংলাদেশকে ২০ ওভারে করতে হবে ১৬৬ রান।