হোম > খেলা > ক্রিকেট

৩ ড্রয়ের দিনে রবিনের সেঞ্চুরি, আকবরের লড়াকু ইনিংস

জাতীয় ক্রিকেট লিগ

স্পোর্টস রিপোর্টার

জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম রাউন্ডে জয় পেল কেবল খুলনাই। তৃতীয় দিনেই বরিশালের বিপক্ষে জয় নিশ্চিত করে ফেলেছিল তারা। প্রথম রাউন্ডের অন্য তিন ম্যাচই হয়েছে ড্র।

মঙ্গলবার শেষ দিনের খেলা শেষে ড্র নিয়ে ফিরতে হলো রংপুর-ঢাকা, রাজশাহী-চট্টগ্রাম এবং সিলেট-ময়মনসিংহকে।

মিরপুরে আকবরের প্রতিরোধ

মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে ঢাকা-রংপুর ম্যাচটা জমে উঠেছিল তৃতীয় দিনের শেষদিকে৷ ওই দিন শেষের দিকে মাত্র ৬ রানে রংপুরের ৩ উইকেট ফেলে দিয়ে জয়ের আশা তৈরি করেছিল ঢাকা। তবে রংপুরের জন্য দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন অধিনায়ক আকবর আলী।

১৩২ বলে আকবরের ৬৪ রানের ইনিংস হারের শঙ্কা পুরোপুরি দূর করেছে রংপুরের৷ দল ১৪৯ রানে অলআউট হলে রংপুরের লিড হয় ২০৫ রানের। সেটা করার জন্য একদমই সময় পায়নি ঢাকা। মাত্র ৪ ওভার ১ বল ব্যাট করে ৯ রান করতে পারে তারা।

গতদিনের ৬ রানে ৩ উইকেট থেকে মঙ্গলবার সকালে ৪২ রানে ৫ উইকেট হয় রংপুরের। ষষ্ঠ উইকেটে আকবরকে ভালো সঙ্গ দেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ৬৯ বল খেলে তিনি করেন ২৭। মূলত এই জুটির কারণেই ম্যাচের ভাগ্য ড্রয়ের দিকে এগিয়ে যায়।

এর আগে প্রথম ইনিংসে রংপুরের ৩৪০ রানের জবাবে শুরুতে চাপে পড়লেও তাইবুর রহমানের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় ঢাকা। তাইবুরের সেঞ্চুরিতে ঢাকার প্রথম ইনিংস থামে ২৮৪ রানে।

সিলেটে রবিনের সেঞ্চুরি

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ময়মনসিংহের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়েই নামা হয়নি সিলেটের। ময়মনসিংহ প্রথম ইনিংসে ৩১১ রান করার পর সিলেট করে ৩২৭ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ময়মনসিংহ ৩২৭ রানে অলআউট হওয়ার পরপরই শেষ হয়ে যায় দিনের খেলা।

গত দিনের ৮৬ রানকে সেঞ্চুরিতে রূপ দিয়েছেন ময়মনসিংহের মাহফিজুল ইসলাম রবিন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ঠিক ১০০ রানেই আউট হয়েছেন রবিন। দুই ইনিংস মিলিয়ে এই টেস্টে তার মোট রান ১৭০। ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। রবিন ছাড়া দ্বিতীয় ইনিংসে ময়মনসিংহের আরিফুল ৭২ ও আব্দুল মজিদ ৮৭ রান করেন।

সিলেটের অফ স্পিনার নাঈম আহমেদ ১১৯ রান দিয়ে নেন ৫ উইকেট।

চট্টগ্রামে ম্যাড়মেড়ে ড্র

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম–রাজশাহীর ম্যাচও শেষ হয়েছে ম্যাড়মেড়ে ড্রয়ে। প্রথম ইনিংসে রাজশাহীর ৩৬৪ রানের জবাবে চট্টগ্রাম করে ৩৯৩ রান। চট্টগ্রামের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির দেখা পান সাদিকুর রহমান এবং মাহমুদুল হাসান জয়। দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেট হারিয়ে ২২৪ রান করে রাজশাহী। আর তাতেই দিনের খেলা শেষ হয়ে ম্যাচ গড়ায় ড্রয়ে।

রাজশাহীর দ্বিতীয় ইনিংসও অনেকটা ম্যাড়মেড়ে ছিল। ইনিংসে একমাত্র ফিফটিটি (৫১) এসেছে সাব্বির রহমানের ব্যাট থেকে। ৪৭ রান করেন নাইম আহমেদ।

৩টি উইকেট করে নেন চট্টগ্রামের দুই স্পিনার আশরাফুল ইসলাম ও হাসান মুরাদ।

ফিটনেস ক্যাম্প করেই টাকা শেষ রাজশাহীর, মাঠে নামছে অনুশীলন ছাড়াই

পাকিস্তানকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে বাংলাদেশ

দলের সঙ্গে যোগ দিলেন শান্ত

কুইন্সল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে জ্যোতিদের হার

টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব হারালেন সালমান, নতুন দায়িত্ব পেলেন ফারহান

ডব্লিউসিএল থেকে সরে দাঁড়াল পাকিস্তান চ্যাম্পিয়নস

বাংলাদেশ-আমিরাত প্রস্তুতি ম্যাচ ড্র

খুলনার ইনিংস ব্যবধানে জয়, তাইবুর-সাদিকের সেঞ্চুরি

শেষ ওভারের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে হারল বাংলাদেশ

প্রস্তুতি ম্যাচে ২৩৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ