চাপের মুহূর্তে বারবার বাংলাদেশকে টেনে তোলার উদাহরণ আছে লিটন দাসের ক্যারিয়ারে। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিলেট টেস্টেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে নিজের এমন ইনিংসগুলোকে ‘ক্রাইসিস স্পেশালিস্ট’ তকমা দিতে রাজি নন এই ব্যাটার। সংবাদ সম্মেলনে তেমনটাই জানালেন।
লিটনের ভাষায়, “আমি বললাম তো আমার রোলটাই ডিফারেন্ট। দেখবেন কোন কোনদিন টপ অর্ডার ওপর থেকে রান করতেছে, আমি হয়তো ৬০-৭০ ওভারের সময় নামলাম, উইকেটে বল ঘোরা শুরু হল। তো আমার ক্রিকেটটাই এমন যে আমাকে পার্টিকুলার যে সময়টা আসবে সে সময়টা ইনজয় করে খেলা। এটাও একটা চ্যালেঞ্জ বাট এখানেও ইনজয় করার অনেক কিছু ছিল। আমি চেষ্টা করি পরিস্থিতিটা এনজয় করতে।”
এই ইনিংসে পাকিস্তানি পেসারদের শর্ট বলের বিপক্ষে দারুণ সফল ছিলেন তিনি। ফাইন লেগ, স্কয়ার লেগ কিংবা মিড উইকেট দিয়ে একের পর এক বাউন্ডারি এসেছে বাউন্সার সামলে। অথচ শেষ দুই ইনিংসেই শর্ট বলে আউট হওয়ার স্মৃতি ছিল তার মাথায়। লিটন বলেন, “ওরা মনে করেছে বাউন্সারই আমার বিপক্ষে বেস্ট অপশন। কিন্তু আমার কাছে এটা একটা স্কোরিং অপরচুনিটি।”
তার মতে, শুরুতে উইকেট সহজ ছিল না। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে ব্যাটিংও সহজ হয়ে যায়। প্রথম ১০০ বলে ৫৩ রান করা লিটন পরের ৩৫ বলেই তুলে নেন আরও ৫০ রান। লিটন বলেন, “হ্যাঁ, আমার কাছে মনে হয়েছে আমি যখন উইকেটে নামি তখন উইকেটটা খুব একটা ইজি ছিল না। বাট যত সময় গেছে উইকেটটা ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো হওয়া শুরু হয়েছে আস্তে আস্তে।”
বাংলাদেশের ইনিংসের গতিপথ বদলে দেওয়া এই ব্যাটার মনে করেন, টস ছিল ম্যাচের বড় ফ্যাক্টর। তবু দিন শেষে ২৭৮ রানকে তিনি ‘খুবই ভালো’ অবস্থান বলেই মনে করছেন।