জাতীয় ক্রিকেট লিগে প্রথম রাউন্ডের দ্বিতীয় দিনে ব্যাট হাতে আলো কেড়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। বোলিংয়ে বরিশালের রুয়েল মিয়া ৫ উইকেট নিলেও তার দল পড়েছে ফলোঅনে। মিরপুরে মোহাম্মদ রিজওয়ানের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ব্যাকফুটে ঢাকা।
চট্টগ্রামে জয়ের সেঞ্চুরি
চট্টগ্রামে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। রাজশাহীর বিপক্ষে ১০২ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তার সপ্তম সেঞ্চুরি। ১৯০ রানের অবিচ্ছিন্ন উদ্বোধনী জুটিতে তাঁর সঙ্গী সাদিকুর রহমান অপরাজিত ৮৬ রানে।
এর আগে ৬ উইকেটে ২৯০ রান নিয়ে দিন শুরু করা রাজশাহীর প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৩৬৪ রানে। বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ ৪ উইকেট নিয়েছেন ৯৬ রানে।
মিরপুরে বিপদে ঢাকা
মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিন শেষে ঢাকার বিপক্ষে সুবিধাজনক অবস্থানে রংপুর। ৬ উইকেটে ২২৯ রান নিয়ে দিন শুরু করা রংপুরের প্রথম ইনিংস থামে ৩৪০ রানে। দ্বিতীয় সেশনে ব্যাটিং শুরু করা ঢাকা দিন শেষ করেছে ৬ উইকেটে ১২০ রান তোলে।
ব্যাটিংয়ে রংপুরের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে এটি তার প্রথম ফিফটি। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের পর বোলিংয়েও ইতোমধ্যে ২ উইকেট নিজের ঝুলিতে নিয়েছেন রিজওয়ান।
চালকের আসনে সিলেট
সিলেটে দ্বিতীয় দিন শেষে চালকের অবস্থানে আছে সিলেট।
গত দিনের ৭ উইকেটে ২৭৩ রান নিয়ে দিন শুরু করা ময়মনসিংহ রোববার অলআউট হয়েছে ৩১১ রানে। সিলেটের পেসার তোফায়েল আহমেদ এবং দুই স্পিনার নাঈম আহমেদ ও নাবিল সামাদ ৩টি করে উইকেট পেয়েছেন। সিলেট প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৩৬ রান তুলে দিন শেষ করেছে। দলটির অধিনায়ক ও ওপেনার জাকির হাসান করেছেন সর্বোচ্চ ৬০ রান। পাঁচে নামা আসাদউল্লাহ আল গালিব অবশ্য ৫৫ রানে অপরাজিত আছেন।
রুয়েলের ৫ উইকেট, ফলো অনে বরিশাল
খুলনায় ইনিংস হারের শঙ্কায় বরিশাল। গত দিনের ৫ উইকেটে ৩২৮ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করা খুলনার প্রথম ইনিংস থামে ৪২৬ রানে। মধ্যাহ্নবিরতির পর ইনিংস শুরু করা বরিশাল প্রথম ইনিংসে ২৮.৪ ওভারে অলআউট হয়েছে ৯৪ রানে। ফলো অন করা দলটির দ্বিতীয় দিন শেষে স্কোর ৪৩/২। খুলনার প্রথম ইনিংসের চেয়ে ২৮৯ রানে পিছিয়ে দলটি।
দল বিপদে থাকলেও বল হাতে ৫ উইকেট পেয়েছেন বরিশালের বাঁহাতি পেসার রুয়েল মিয়া। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট এই নিয়ে পঞ্চমবার ৫ উইকেট পেলেন রুয়েল।
বরিশালের প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন অধিনায়ক ইফতেখার হোসেন। খুলনার তিন পেসার সফর আলী (২/৩৪), আবদুল হালিম (২/২২) ও মেহেদী হাসান রানা (৩/২৫) এবং অফ স্পিনার শেখ পারভেজ (৩/১০) ভাগাভাগি করেছেন উইকেটগুলো।