জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম দিন ভিন্ন ম্যাচে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন রংপুরের মিম মোসাদ্দেক ও ঢাকার নাঈম শেখ। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শেখ মাহেদীর ঘূর্ণিতে ৩৪ ওভারে অলআউট হয়েছে রাজশাহী। মাহেদী একাই নিয়েছেন ছয় উইকেট। আরেক ম্যাচে তিন রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন বরিশালের মইন খান।
সিলেটে নাঈম শেখের সেঞ্চুরি
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রথম দিন শেষে বড় সংগ্রহের পথে আছে ঢাকা। এদিন ৯০ ওভার খেলে দুই উইকেট হারিয়ে ৩৪৩ রান করেছে তারা। সেঞ্চুরি পেয়েছেন নাঈম শেখ। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তার তৃতীয় সেঞ্চুরি। ২১৫ বলে ১৩১ রান করে আহত হয়ে অবসর নেন নাঈম।
সেঞ্চুরির পথে আছেন ৮০ রান করে অপরাজিত থাকা মার্শাল আইয়ুবও। ৮১ রান করে নাসুম আহমেদের শিকার হয়েছেন জিসান আলম। ৩২ রানে অপরাজিত আছেন অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ঢাকা : ৩৪২/২ (নাঈম শেখ ১৩১*, জিসান আলম ৮০)।
বিপদে রাজশাহী
মিরপুরে খুলনার বিপক্ষে দেড় সেশনে অলআউট হয়েছে রাজশাহী। দলটিকে শুরুর ধাক্কা দেন সফর আলী। প্রথম পাঁচ ব্যাটারের তিনজনকেই ফেরান তিনি। পরে রাজশাহীকে ধসে দেন শেখ মাহেদী। একাই ছয় উইকেট নেন তিনি। আর তাতে রাজশাহী অল আউট হয় ১১৯ রানে।
ব্যাট হাতেও ভালো শুরু পেয়েছে খুলনা। প্রথম দিন শেষে এক উইকেটে করেছে ১০৮ রান। ২২ রানে ওপেনার এনামুল হক আউট হলেও আজিজুল হাকিম ৫৫ ও কালাম সিদ্দিকী ২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী : ১১৯/১০ (সাব্বির হোসেন ৩৬, মাহেদী ৬/৩৮)।
খুলনা : ১০৮/১ (আজিজুল ৫৫*)।
মইনের তিন রানের আক্ষেপ
প্রথম রাউন্ডে ইনিংস ব্যবধানে হারের পর দ্বিতীয় রাউন্ডে শুরুটা ভালো হয়েছে বরিশালের। প্রথম দিনই অলআউট হয়ে গেলেও জাওয়াদ আবরার ও মইন খানের ফিফটিতে ২৮২ রান তোলে তারা।
এ ম্যাচেও অল্পতে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কাটা ছিল বরিশালের। তবে হাল ধরেন অধিনায়ক মইন। সাতে নেমে ১১৩ বলে ৯৭ রানের ইনিংস খেলেন। মাত্র তিন রানের জন্য প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি। জবাব দিতে নেমে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৭২ রান করেছে চট্টগ্রাম। সাদিকুর রহমান ৪১ আর মাহমুদুল হাসান ২৯ রানে অপরাজিত আছেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বরিশাল : ২৮২/১০ (মইন ৯৭, জাওয়াদ ৬৩, হাসান মুরাদ ৪/৮৫)।
চট্টগ্রাম : ৭২/০ (সাদিকুর ৪১*, জয় ২৯*)।
মিম মোসাদ্দেকের ১৫৭
সিলেটে একাডেমি মাঠে ময়মনসিংহের বিপক্ষে ছয় উইকেটে ৩৭০ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে রংপুর। ২৫ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর মিম মোসাদ্দেক ও ইকবাল হোসেন মিলে গড়েন ২০৮ রানের বড় জুটি। ৭৮ রান করে ইকবাল আউট হয়ে গেলে সেঞ্চুরি পান মিম মোসাদ্দেক। ১৫৭ রান করে আজিজুল হাকিমের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। আব্দুল্লাহ আল মামুন ৬১ ও আকবর আলী ৩০ রান করে আউট হন।