বাংলাদেশের ৩৪৬ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু পেয়েছে আফগানিস্তান। দ্বিতীয় দিনের চা বিরতির আগ পর্যন্ত ২ উইকেটে ১৩১ রান করেছে আফগানরা। ফিফটির দেখা পেয়েছেন আফগান ওপেনার আব্দুল মালিক।
স্কোরবোর্ডে ৩৪৬ রান নিয়ে বোলিংয়ে নেমে আফগানদের ৪ রানের মাথায়ই প্রথম উইকেট পেতে পারত বাংলাদেশ। তবে আম্পায়ারের ভুল এবং বাংলাদেশ রিভিউ না নেয়ায় সে যাত্রায় বেঁচে যান সেদিকুল্লাহ অতল।
আফগানদের ইনিংসের তৃতীয় ওভারের প্রথম বলটা সেদিকউল্লাহ অটলের ব্যাট ছুঁয়ে বল চলে যায় লিটন দাসের হাতে। আউটের জোরালো আবেদন করেন বোলার ও ফিল্ডাররা। তবে আম্পায়ার সাড়া দেননি।
বাংলাদেশও রিভিউ নেয়নি। পরে রিপ্লেতে দেখা যায়, বল ব্যাটের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আলট্রাএজে স্পষ্ট স্পাইক ছিল। অর্থাৎ ব্যাটের কানায় লেগেছিল বল। একই সময়ে ব্যাট প্যাডে লাগায় বিভ্রান্ত হয়ে যায় বাংলাদেশ। ফলে উইকেট পাওয়ার দারুণ সুযোগ হাতছাড়া হয় তাদের।
তবে জীবন পেয়ে বাংলাদেশকে তেমন ভোগাতে পারেননি অটল। দলীয় ৩০ রানে ফিরেছেন সেই হাসান মাহমুদের বলেই। স্লিপে হাসানের বলে ক্যাচ নিয়েছেন তানজিদ হাসান। ১৭ রান করেন অটল। ৩৪ রানে ১ উইকেট নিয়ে মধ্যাহ্নবিরতিতে যায় আফগানিস্তান।
দলীয় ৬৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় আফগানিস্তান। ইবাদতের শর্ট বলে পুল খেলতে গিয়ে ডিপ ফাইন লেগে ক্যাচ দেন শহিদুল্লাহ। চিরচেনা স্যালুটে উদযাপন করেছেন ইবাদত। ২০ রান করে ফেরেন শহিদ।
তৃতীয় উইকেটে রহমত শাহকে নিয়ে সাবলীলভাবে খেলে চা বিরতি পর্যন্ত নিয়ে যান মালিক। টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নিয়ে ৬০ রানে অপরাজিত আছেন মালিক। নতুন অধিনায়ক রহমত অপরাজিত আছেন ৩৩ রানে৷
এর আগে প্রথম দিনের ৩১৭ রানে ৮ উইকেট নিয়ে খেলা শুরুর পর এদিন মাত্র ২৯ রান যোগ করতে পেরেছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের শেষ দুই উইকেটে এসেছে ৪১ রান। এর মধ্যে একাই ৩৫ রান করেছেন নাঈম হাসান। ৬৭ বল খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। তবে অন্য প্রান্তে পর্যাপ্ত সমর্থন না পাওয়ায় দলের সংগ্রহ সাড়ে তিনশ ছাড়াতে পারেনি।
আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল মোহাম্মদ সেলিম সাফি। তিনি নিয়েছেন ৪ উইকেট। ইয়ামিন আহমদজাই পেয়েছেন ৩ উইকেট, ইসমত আলমের শিকার ২টি। বাকি উইকেটটি নিয়েছেন কাইস আহমদ।