বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচে চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল থিবো কোর্তোয়াকে। তবে ম্যাচ শেষে বেলজিয়ামের এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক জানিয়েছেন, তিনি খেলা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত ছিলেন। গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে শট ঠেকাতে কোনো সমস্যা না হলেও, লম্বা গোল কিক নেওয়ার সময়ই তীব্র ব্যথা অনুভব করছিলেন তিনি।
ম্যাচ শেষে কোর্তোয়া বলেন, “আমার কোয়াড্রিসেপসে অনেক ব্যথা হচ্ছিল। কিন্তু গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে খেলতে কোনো সমস্যা ছিল না। শুধু লম্বা কিক নেওয়ার সময় ব্যথা অনুভব করছিলাম।”
তিনি আরও জানান, মাঠে থাকার ইচ্ছা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বদলি করার সিদ্ধান্ত নেন প্রধান কোচ রুডি গার্সিয়া। কোর্তোয়ার ভাষায়, “শেষ পর্যন্ত কোচ আমাকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে আমার কোনো সমস্যা নেই, কারণ দলের স্বার্থই সবার আগে।”
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে কোর্তোয়ার পরিবর্তে নামেন সেনে লামেন্স। পরে মিকেল মেরিনোর জয়সূচক গোলে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় বেলজিয়াম। ম্যাচ শেষে সতীর্থ লামেন্সের পাশেও দাঁড়ান কোর্তোয়া। গোলরক্ষকের ভুল নিয়েও সমালোচনা না করে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি যেকোনো গোলরক্ষকের জীবনেই আসতে পারে এবং ভবিষ্যতে লামেন্স আরও শক্তভাবে ফিরে আসবেন বলে তার বিশ্বাস।
৩৪ বছর বয়সী কোর্তোয়ার এই চোটের মাত্রা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পাশাপাশি তার অবস্থা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদও।