ফ্রান্স-প্যারাগুয়ের বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়েছেন রেফারি ইলগিজ তান্তাশেভ। বিবিসির বিশ্লেষক ডেল জনসনের মতে, শুরুতেই কঠোর অবস্থান নিলে ম্যাচ এতটা উত্তপ্ত হতো না।
ম্যাচজুড়ে প্যারাগুয়ে একের পর এক কড়া ফাউল করলেও কোনো খেলোয়াড় হলুদ কার্ড দেখেননি। অথচ ফ্রান্সের তিন ফুটবলার কার্ড পেয়েছেন।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ফাউলের অফিসিয়াল হিসাব ছিল প্যারাগুয়ের ১৩ ও ফ্রান্সের ১১। কিন্তু বাস্তবে দক্ষিণ আমেরিকার দলটির আরও অনেক ফাউল রেফারির চোখ এড়িয়ে গেছে।
বিশেষ করে আন্দ্রেস কুবাসের ট্যাকল, এমবাপ্পের ওপর কাসেরেসের লাথি, উপামেকানোর ওপর কনুইয়ের আঘাত এবং অফ-দ্য-বল ধাক্কাগুলো শাস্তির যোগ্য ছিল বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
ম্যাচের একমাত্র গোল আসে ভিএআরের সহায়তায় পাওয়া পেনাল্টি থেকে। রেফারি প্রথমে ফাউল দেখেননি। পরে মনিটরে রিপ্লে দেখে পেনাল্টি দেন।
ডেল জনসনের মতে, “বিশ্বকাপজুড়ে রেফারিরা খেলা সচল রাখতে চেয়েছেন। কিন্তু এই ম্যাচে সেটি উল্টো ফল দিয়েছে। শুরুতেই কঠোর সিদ্ধান্ত নিলে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব ছিল।”
ম্যাচ শেষে প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়দের সঙ্গে ফরাসিদের হাতাহাতিও হয়। বিবিসির ভাষ্য অনুযায়ী, প্যারাগুয়ে ম্যাচজুড়ে ফুটবলের প্রায় সব ধরনের ‘ডার্ক আর্টস’ ব্যবহার করেছে।