হোম > খেলা > ফুটবল বিশ্বকাপ

ফেভারিট ফ্রান্সের সামনে সুইডেন

স্পোর্টস রিপোর্টার

বিশ্বকাপে ফ্রান্স ৭৬টি আর সুইডেন ৫৪টি ম্যাচ খেলেছে। কিন্তু কখনো একে অপরের বিপক্ষে খেলেনি তারা। এবারই প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে লড়াইকয়ে নামবে দল দুটি। বাংলাদেশ সময় আজ রাত তিনটায় নিউ ইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে দুদলের ম্যাচটি শুরু হবে। এ ম্যাচে সব দিক থেকে ফেভারিট ফ্রান্স। গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ জিতে এসেছে তারা। শুধু তাই নয়, সর্বোচ্চ ১০টি গোলও করেছে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। বিপরীতে হজম করেছে দুটি গোল। এবারের আসরে অন্যতম ফেভারিট দলও ফ্রান্স। সেরা আক্রমণ ভাগ, দুর্দান্ত মিডফিল্ড আর সুশৃঙ্খল রক্ষণভাগই দলটিকে ফেভারিটের তকমা দিয়েছে। কেন ফ্রান্স ফেভারিট দল- এরই মধ্যে গ্রুপ পর্বে তাদের পারফরম্যান্স সেই প্রমাণও দিয়েছে। নকআউট পর্বে দলটি আরো ভয়ংকর হবে। তাদের আটকানো সহজ হবে না। সব মিলে কোচ দিদিয়ের দেশমের তারকাখচিত ফ্রান্স দলটি সুইডেনের কঠিন পরীক্ষা নেবে- তাতে সন্দেহ নেই।
এই বিশ্বকাপেও দুরন্ত গতিতে ছুটে চলেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। প্রথম তিন ম্যাচে চার গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে আছেন এই তারকা ফুটবলার। পারফরম্যান্সের আলোয় উদ্ভাসিত মহাতারকাদের মাঝে নতুন সূর্যরূপে উদিত হয়েছেন উসমান দেম্বেলে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে ২৫ মিনিটের ব্যবধানে হ্যাটট্রিক করে বড় মঞ্চের তারকা বনে গেলেন এই ফরোয়ার্ড। বিশ্বকাপে তার নামের পাশেও এখন চার গোল। নকআউট ম্যাচেও এমবাপ্পে-দেম্বেলেরা সুইডেনের রক্ষণ দেয়াল ভেঙে চুরমার করে দিতে পারেন নিমিষেই। তাদের পারফরম্যান্সে সে কথাই বলছে। ফ্রান্সের আক্রমণভাগ সামলোটাই হবে সুইডেনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জের কাজ। হয়তো নকআউটে চিরাচরিত রক্ষণ ধরে রেখে খেলার কৌশল নেবেন সুইডেন কোচ গ্রাহাম পটার। এজন্য তার দলকে ৪-৪-২ ফরমেশনে দেখা যেতে পারে।
অন্যদিকে, বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে থেকেই সংগ্রাম করেছে সুইডেন। মূল পর্বে এসেও দলটি পাখা মেলে উড়তে পারছে না। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের মধ্যে একটি জয় ও একটি ড্র করে তৃতীয় দল হিসেবে নকআউট পর্বে উঠেছে তারা। গতিময় ফুটবল আর শৃঙ্খল রক্ষণ শক্তি তাদের। গ্রুপ পর্বে সেরা পারফরম্যান্স দেখাতে না পারলেও নকআউটে ভালোভাবে ফেরার চেষ্টায় থাকবে দলটি। সুইডেনকে বলা হয় বড় ম্যাচের দল। সুইডেন ম্যাচ প্রসঙ্গ এলেই ১৯৫৮ বিশ্বকাপের স্মৃতি সামনে আসে ফুটবলপ্রেমীদের। ওই বিশ্বকাপের ফাইনালে ১৭ বছর বয়সি পেলের জাদুকরী ফুটবলে ব্রাজিল ৫-২ গোলে সুইডেনকে হারিয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরে। সেদিন ফাইনাল হেরে স্টকহোমের রাসুন্দা স্টেডিয়ামে সুইডিশদের কান্না থামছিল না। এছাড়া ১৯৫০ ও ১৯৯৪ সালে দুইবার বিশ্বকাপে তৃতীয় হয়েছিল সুইডেন। অর্থাৎ নকআউট ম্যাচে বরাবরই ভালো করে দলটি। তবে ফ্রান্সের বিপক্ষে কেমন লড়াই করে সুইডেন, সেটিই হবে দেখার বিষয়।
বিশ্বকাপের মঞ্চে কোনো ম্যাচ না খেললেও অন্য সব প্রতিযোগিতা মিলে মোট ২৩ বার একে অপরের বিপক্ষে ম্যাচ খেলেছে ফ্রান্স ও সুইডেন। জয়ের রেকর্ডে পাল্লা ভারী ফ্রান্সের। তাদের জয় ১২টি। ৬টি ম্যাচ জিতেছে সুইডেন। বাকি ৫টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উড়িয়ে দিল ফিফা

ব্রাজিলের মহাকাব্যিক প্রত্যাবর্তনে মুগ্ধ বিশ্ব গণমাধ্যম

জার্মানিকে হারানোর আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি

জাপানের হৃদয় ভেঙে শেষ ষোলোয় ব্রাজিল

নেদারল্যান্ডসের টাইব্রেকার ট্র্যাজেডি, শেষ ষোলোতে মরক্কো

আফ্রিকান ‘হাতি’র সামনে ইউরোপের ভাইকিং

বিশ্বকাপ থেকে ভিনিসিয়ুসের চাওয়া ‘আরও বেশি’

‘ধৈর্য আর চাপই জয়ের চাবিকাঠি’, মার্টিনেল্লির গোলের পর কাসেমিরোর বার্তা

হাভার্টজের ট্র্যাজেডিতে জার্মানির বিদায়ে শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ে

আর্জেন্টিনার ফাইনালে ওঠার সহজ রোডম্যাপ, আসল পরীক্ষা সেমিতে