বিশ্বকাপ মঞ্চে নরওয়ের গল্পটা যেন এখন আর্লিং হালান্ডকে ঘিরেই। দলের সবচেয়ে বড় তারকা আবারও জোড়া গোল করলেন, আর তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সেনেগালকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে নরওয়ে।
মঙ্গলবারের ম্যাচে হালান্ড নিজের দুর্দান্ত গোল করার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখেন। জাতীয় দলের হয়ে টানা ছয় ম্যাচেই তিনি দুটি করে গোল করেছেন। তার গোলজোড়ার ওপর ভর করেই দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে।
এর আগে নরওয়ে সর্বশেষ বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯৮ সালে। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত সেই আসরে তারা গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে নকআউটে উঠলেও শেষ ষোলোতে ইতালির কাছে হেরে বিদায় নেয়। প্রায় তিন দশক পর বিশ্বমঞ্চে ফিরে এবার আবারও নকআউট পর্বের টিকিট কেটেছে তারা।
হালান্ডের পাশাপাশি অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের নেতৃত্বেও ছন্দে দেখা যাচ্ছে দলটিকে। বিশ্বকাপে নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় তুলে ধরতে নরওয়ের ফুটবলাররা টুর্নামেন্টজুড়ে ভাইকিং সংস্কৃতির নানা উদযাপন করছেন। সেনেগালকে হারানোর পরও মাঠে সেই বহুল আলোচিত ‘ভাইকিং নৌকা চালানোর’ উদযাপন করতে দেখা যায় তাদের।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর বিশ্বকাপে ফিরে নরওয়ের এই সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় অনুঘটক হয়ে উঠেছেন হালান্ড। তার গোলের ধার অব্যাহত থাকলে টুর্নামেন্টে আরও দূর যাওয়ার স্বপ্ন দেখতেই পারে ইউরোপের দলটি।