ফ্রি কিক থেকে আরও একবার নিজের জাদু দেখালেন লিওনেল মেসি। এমন এক কোণ থেকে গোল করলেন, যেখান থেকে বল জালে পাঠানো প্রায় অসম্ভব বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু মেসির বাঁ পায়ের অসাধারণ বাঁক খাওয়ানো শটে ঠিকই ঠিকানা খুঁজে নেয় বল। তবে আর্জেন্টাইন তারকার সেই গোলও শেষ পর্যন্ত ইন্টার মিয়ামিকে হার থেকে বাঁচাতে পারেনি। ইনজুরি টাইমের নবম মিনিটে গোল হজম করে কলাম্বাস ক্রুর কাছে ২-১ গোলে হেরেছে মিয়ামি।
২৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে কলাম্বাস ক্রুকে এগিয়ে দেন জোসেফ মার্তিনেজ। ইয়ানিক ব্রাইটের ফাউলে ২৩ মিনিটে পেনাল্টি আদায় করেছিলেন তিনি। পাঁচ মিনিট পরই অবশ্য ম্যাচে সমতা ফেরায় মিয়ামি।
৩৩তম মিনিটে ডান প্রান্তরেখা থেকে প্রায় ৭ গজ দূরত্বে ফ্রি কিক পায় মিয়ামি। সেখান থেকে মেসির বাঁকানো শট গোলরক্ষক প্যাট্রিক শুল্টের বাড়ানো হাতের ওপর দিয়ে, ক্রসবারের নিচ দিয়ে ও পেছনের পোস্টের ভেতর দিয়ে জড়িয়ে যায় সাইড-নেটে। প্রথমার্ধে মিয়ামির একমাত্র শটও ছিল সেটি।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুবার পোস্টে শট রাখেন মেসি, তবে গোলের দেখা পাননি। পুরো ম্যাচে অবশ্য আক্রমণে এগিয়ে ছিল কলাম্বাস। ১৪টি শট নেয় তারা, যেখানে মিয়ামির শট ছিল মাত্র পাঁচটি। গোলের লক্ষ্যে কলাম্বাসের শট ছিল সাতটি, মিয়ামির তিনটি।
শেষ পর্যন্ত ইনজুরি টাইমের নবম মিনিটে জামাল তিয়ারের শটে জয় নিশ্চিত করে কলাম্বাস। তার আগে ১০ জনের দলে পরিণত হয় মিয়ামি। তিন মিনিটের ব্যবধানে দুটি হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সান্তিয়াগো মোরালেস।
চলতি মৌসুমে এটি মিয়ামির দ্বিতীয় হার। শেষ ১০ ম্যাচে মাত্র একটি জয় পাওয়া দলটি ২৭ ম্যাচে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে নেমে গেছে পঞ্চম স্থানে। কয়েক সপ্তাহ আগেও এমএলএসের পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে ছিল মিয়ামি।