ম্যাচজুড়ে বল দখল, পাস আর আক্রমণে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে ছিল জার্মানি। কিন্তু গোলের হিসাবেই শেষ হাসি হাসল গ্রিস। পুরো ম্যাচে জার্মানির পোস্টে মাত্র একবার শট নিয়ে সেটিকেই গোলে পরিণত করে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ১-০ গোলে হারিয়েছে গ্রিস। ১৯৬০ সালে দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরুর পর ১১তম দেখায় এটাই জার্মানির বিপক্ষে গ্রিসের প্রথম জয়।
অগসবুর্গে ম্যাচের শুরু থেকেই জার্মানি নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে। ৭৫ শতাংশ বল দখলের পাশাপাশি গোলের জন্য ১৬টি শট নেয় তারা। কিন্তু গ্রিসের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি জার্মানরা।
কারিম আদেয়েমি দুই অর্ধেই সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রথমার্ধে তার শট কোস্তাস সিমিকাসকে কাটিয়ে গোলবারের ওপর দিয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে তার আরেক প্রচেষ্টা রুখে দেন গ্রিক গোলরক্ষক কোন্সতান্তিনোস জোলাকিস। বিরতির আগে জার্মানির আরও একটি ভালো সুযোগ নষ্ট হয়, কিমিখের শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন জোলাকিস। পরে তার ফ্রি কিকও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে উল্টো গ্রিসও গোলের আভাস দেয়। জার্মান গোলরক্ষককে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি ভেঙ্গেলিস পাভলিদিস। তবে সেই সতর্কবার্তার পরই আসে গ্রিসের কাঙ্ক্ষিত গোল।
ম্যাচ শেষ হওয়ার ১৬ মিনিট আগে আর্সেনালের উইঙ্গার ক্রিস্টোস জোলিস ডান দিক দিয়ে এগিয়ে বল দেন কুরবেলিসকে। জার্মান মিডফিল্ডার ফেলিক্স নেমেচাকে কাটিয়ে নিচু শট নেন তিনি। বল জোশুয়া কিমিখের গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়।
শেষ ১৫ মিনিটে সমতা ফেরাতে সার্জ গিন্যাব্রি, অ্যান্তন স্টাখ ও হেনেস বেহরেনসকে মাঠে নামান জার্মান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ। তাতেও ফল বদলায়নি। উল্টো ফোর্তিস ইওনিদিসের শট পোস্টের বাইরে দিয়ে যাওয়ায় ব্যবধান বাড়েনি।
জার্মানির দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম দুই ম্যাচেই জয়হীন থাকলেন ক্লপ। নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে আগের ম্যাচে ১-১ ড্রয়ের পর এবার গ্রিসের কাছে হারল তার দল।
নেশনস লিগের গ্রুপ এ-২-তে দুই ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে গ্রিস। নেদারল্যান্ডস চার পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় এবং জার্মানি এক পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয়।