গাজায় সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে অবদান রাখতে পাকিস্তান প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। তবে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাসকে নিরস্ত্র করার পরিকল্পনা নেই দেশটির।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজা শান্তি চুক্তির অন্যতম ভিত্তি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (আইএসএফ) প্রতিষ্ঠা। এটি মূলত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর সেনাদের সমন্বয়ে গঠিত হবে।
ইসহাক দার বলেন, ‘যদি ফিলিস্তিনে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনের উদ্দেশ্য হামাসকে নিরস্ত্র করা হয়, তাহলে আমরা এর জন্য প্রস্তুত নই; এটা আমাদের কাজ নয়। এটা ফিলিস্তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাজ।’
তিনি আরো বলেন, ‘যদি বাহিনীর উদ্দেশ্য শান্তিরক্ষা হয়, তাহলে ইসলামাবাদ অবশ্যই এতে অবদান রাখতে প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী (শেহবাজ শরীফ) নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছেন যে আমরাও সেনা পাঠাব, তবে আমরা বিস্তারিত জানার পরেই সিদ্ধান্ত নেব।’
ইসহাক দার বলেন, স্থিতিশীলতা বাহিনী নিয়ে আলোচনার সময় তিনি প্রাথমিক আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন এবং ইন্দোনেশিয়া ২০ হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘কিন্তু আমার তথ্য অনুযায়ী, যদি এতে হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের কথাও অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাহলে ইন্দোনেশিয়াও আপত্তি প্রকাশ করবে।’
নভেম্বরের শুরুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ একটি মার্কিন খসড়া প্রস্তাব পাস করে। এর উদ্ধেশ্য হলো নতুন ট্রানজিশনাল শান্তি বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা, যাতে গাজায় শাসন, পুনর্গঠন ও নিরাপত্তা প্রচেষ্টা তত্ত্বাবধানের জন্য একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীকে অনুমোদন দেওয়া যায়।
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, এই প্রস্তাব দ্বারা অনুমোদিত বোর্ড ও আইএসএফের (স্থিতিশীলতা বাহিনী) উপস্থিতি ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুমোদিত থাকবে। সূত্র : টিআরটি ওয়ার্ল্ড