ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র যুক্ত হবে কি না, এ বিষয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বার্তা জানান তার প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট।
লেভিট বলেন, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে সংঘাতে আমেরিকা সরাসরি জড়িত থাকবে কি না, এমন খবরের মধ্যে ট্রাম্প বলেছেন, ‘অদূর ভবিষ্যতে ইরানের সাথে আলোচনা হতে পারে বা নাও হতে পারে তার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। এই বিষয়টির ওপর ভিত্তি করে আমি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেব যে আমি যাব কি না।’
এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ থেকে সরে আসতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। তিনি বলেছেন, এখানে সংঘাত ‘বৃদ্ধির বড় ঝুঁকি’ রয়েছে। তিনি সব পক্ষকে কূটনৈতিক সমাধান খোঁজার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্টারমার বলেছেন, এর আগে ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বেশ কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে’ এবং ‘আমার মতে, এটিই এই সমস্যা সমাধানের উপায়’।
এমন সময়ে তার এই মন্তব্য এসেছে যখন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি এই উত্তেজনা কমানোর উদ্দেশ্যে আলোচনার জন্য ওয়াশিংটন যাচ্ছেন। যেখানে তিনি ট্রাম্পের শীর্ষ কূটনীতিক মার্কো রুবিওর সাথেও দেখা করবেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ল্যামি এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও আলোচনা করবেন।
ইরান-ইসরাইল চলমান সংঘাতের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া একটি পোস্টে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আদানম ঘেব্রেয়েসুস লিখেছেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত যে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে, তা ভয়াবহ।’
ইসরাইলের সোরোকা মেডিকেল সেন্টারে হামলার পাশাপাশি তেহরানে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বাস্থ্যকর্মীদের মৃত্যুর খবরও পোস্টে উল্লেখ করেছেন তেড্রোস।
‘আমরা সব পক্ষকে সব সময় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকর্মী এবং রোগীদের রক্ষা করার আহ্বান জানাই। দ্য বেস্ট মেডিসিন ইজ পিস,’ তিনি লিখেছেন।
সূত্র: বিবিসি