সোমবার এশিয়ায় তেলের দাম বেড়েছে এবং শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে ইরানের যুদ্ধের মাত্রা বৃদ্ধির কারণেই এসব খাতের ব্যবসায়ীরা প্রভাবিত হয়েছেন।
সোমবার অপরিশোধিত ব্রেন্ট তেলের দাম এক শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৩ দশমিক ৪০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
এদিকে, জাপানের নিক্কেই শেয়ার সূচক তিন দশমিক পাঁচ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক ছয় দশমিক পাঁচ শতাংশ কমেছে।
শনিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নৌপথ পুনরায় খুলে দেওয়া না হলে তিনি ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ‘ধ্বংস করে দেবেন’।
অন্যদিকে, ইরান বলেছে, এ ধরনের যেকোনো হামলার জবাবে তারা এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালাবে।
জ্বালানি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জির চেয়ারম্যান ও প্রধান বিশ্লেষক সাইমন ফ্লাওয়ার্স বলেছেন, হুমকিগুলো কার্যকর করা হয় কী-না, তার দিকে তাকিয়ে আছে বাজার ব্যবস্থা।
“যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অবকাঠামোতে হামলা করে, তবে তা যুদ্ধের তীব্রতাকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দেবে। তখন আমাদের দেখতে হবে যে ইরানও গত সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে যেমনটা করে আসছে, তেমনভাবে পাল্টা অবকাঠামোগত হামলা চালায় কী-না,” বিবিসির ‘টুডে’ অনুষ্ঠানে বলছিলেন প্রধান বিশ্লেষক সাইমন ফ্লাওয়ার্স”।