হোম > বিশ্ব

অস্ত্র সমর্পণ না করার ঘোষণা হামাসের

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস জানিয়েছে, তারা এখনই তাদের অস্ত্র হস্তান্তর করবে না। নিরস্ত্রীকরণের দাবি নাকচ করে দিয়েছে তারা। হামাস বলছে, অন্যান্য ফিলিস্তিনি দলের সঙ্গে আলোচনার পর তাদের অস্ত্র নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আলজাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হুসাম বদরান এসব কথা বলেন।

সাক্ষৎকারে স্থবির হয়ে পড়া আলোচনা ও হামাসের দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে কথা বলেন তিনি।

বদরান আলজাজিরাকে বলেন, ‘যখন এই ফিলিস্তিনি কমিটি (গাজা প্রশাসনের জন্য জাতীয় কমিটি, এনসিএজি) গাজা উপত্যকার দায়িত্ব নিতে আসবে, তখন এই কমিটির, অর্থাৎ ফিলিস্তিনি সরকারি পুলিশের নিজস্ব অস্ত্র ছাড়া গাজার রাস্তা ও গলিতে কোনো দৃশ্যমান অস্ত্র থাকবে না।’ তিনি আরো বলেন, ‘গাজা উপত্যকায় আমরা যে ধরনের সশস্ত্র বিক্ষোভে অভ্যস্ত ছিলাম, সেরকম কিছু আর হবে না।’

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, এর অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ত্র সমর্পণ নয়। বাদরান বলেন, ‘আমরা সেগুলো হস্তান্তর করার কথা বলছি না; আমরা অন্ততপক্ষে ফিলিস্তিনি পুলিশের সরকারি অস্ত্র ছাড়া অন্য কোনো অস্ত্র দৃশ্যমান না থাকার বিষয়ে কথা বলছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত একটি জাতীয় কাঠামোর মধ্যে আলোচনা করা হবে।’

হামাসের এই অবস্থান এমন এক সময়ে এসেছে, যখন একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র আলজাজিরাকে জানিয়েছে যে, দলটি নতুন করে আলোচনার জন্য কায়রোতে তাদের প্রতিনিধিদল পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারই সবচেয়ে বড় অমীমাংসিত বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।

সূত্র: আলজাজিরা

আরএ

বলসোনারোর যুক্তরাষ্ট্রে পলায়ন, আর্জেন্টিনার কূটনীতিককে তলব ব্রাজিলের

ফের হামলা হলে ধ্বংসাত্মক জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি আরাগচির

আজ ফের রাস্তায় নামছেন ফ্রান্সের বিক্ষোভকারীরা, কঠোর অবস্থানে সরকার

সরকার গঠনে ইসরাইলের অচলাবস্থা কাটবে কীভাবে

পশ্চিমবঙ্গের পাঠ্যক্রমে থাকছে না পানি-আম্মা-আব্বা

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ভোট দিয়ে ইতিহাস গড়লেন পোপ লিও

হরমুজে প্রতি রাতে অভিযান, বাড়তি চাপে মার্কিন কর্মীরা

ইউক্রেনকে ৫০০ প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

এবার জার্মানিতেও জেন-জি বিক্ষোভের ঢেউ, সতর্ক প্রশাসন

হরমুজে জাহাজ চলাচল বাড়লেও যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় ৭০ শতাংশ কম