হোম > বিশ্ব

‘সুপার এল নিনো’র পূর্বাভাস, রেকর্ড তাপপ্রবাহ ও দাবানলের শঙ্কা

আমার দেশ অনলাইন

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ বছর আফ্রিকা, এশিয়া এবং অন্যান্য স্থানে রেকর্ডসংখ্যক দাবানলের ঘটনা ঘটছে। উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল এগিয়ে আসায় এবং এল নিনোর প্রভাবে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞানীরা ২০২৬ সালের জন্য একটি ‘সুপার’ এল নিনোর পূর্বাভাস দিয়েছেন। এল নিনো হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু ঘটনা। এটি মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের বিষুবরেখা বরাবর সমুদ্রের উপরিভাগের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে সারা বিশ্বে বাতাস, চাপ এবং বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যায়। এল নিনো সাধারণত দুই থেকে সাত বছর পর পর আসে এবং নয় থেকে বারো মাস স্থায়ী হয়।

ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন নামক একটি গবেষণা সংস্থার সংকলিত তথ্য অনুসারে, জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দাবানলে ইতোমধ্যেই অভূতপূর্ব ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ১৫ কোটি হেক্টরের বেশি জমি পুড়ে গেছে, যা আগের রেকর্ডের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি।

গবেষকরাদের আশঙ্কা, এ বছর তাপমাত্রার আগের রেকর্ড ভেঙে যেতে পারে। যার ফলে দাবানলের পাশাপাশি ব্যাপক খরা দেখা দেবে।

ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের দাবানল বিশেষজ্ঞ থিওডোর কিপিং বলেন, এ বছর বিশ্বব্যাপী দাবানলের মৌসুম খুব দ্রুত শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, এই বছর আফ্রিকায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৮৫ মিলিয়ন হেক্টর জমি পুড়ে গেছে, যা আগের রেকর্ড ৬৯ মিলিয়ন হেক্টরের চেয়ে ২৩ শতাংশ বেশি।

কিপিং জানান, এই বছর এখন পর্যন্ত এশিয়ায় দাবানলে প্রায় ৪ কোটি ৪০ লাখ হেক্টর জমি পুড়ে গেছে, যা ২০১৪ সালের আগের রেকর্ডের চেয়ে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস এবং চীন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে।

এই বছরের শেষের দিকে দাবানলের ঝুঁকি আরো বাড়তে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছের তিনি। কারণ এল নিনো অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং আমাজন রেইনফরেস্টে তীব্র তাপপ্রবাহ ও খরার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে।

তিনি বলেন, ‘যদি একটি শক্তিশালী এল নিনো তৈরি হয়, তবে ক্ষতিকর চরম দাবানলের সম্ভাবনা সাম্প্রতিক ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।’

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা গত মাসে জানায়, প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট এল নিনো আবহাওয়া পরিস্থিতি চলতি মে মাসেই শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতিসংঘের এই সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, এর ফলে অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশে খরা ও অন্যান্য অঞ্চলে বন্যা হতে পারে এবং তাপমাত্রা বাড়তে পারে।

সূত্র: রয়টার্স/ডয়েচে ভ্যালে

আরএ

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দিয়েছেন সাড়ে ৫ কোটি মানুষ

নিজ দলের কোন্দলেও চাঙা মার্কিন মুসলিম ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সমর্থকেরা

হরমুজে ৯ দিনে ১১ তেলবাহী জাহাজে আগুন, দাবি ইরানের

মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারালে ট্রাম্প হয়ে উঠবেন ‘মিস্টার ভেটো’

ইরানে ফের মার্কিন হামলার প্রস্তুতি, আতঙ্কে উপসাগরীয় মিত্ররা

রাহুল গান্ধীকে ধাক্কা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠাতে চান আসামের মুখ্যমন্ত্রী

যুদ্ধ চায় না মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ

জাপানের আয়াসোফিয়া মসজিদে দেখা মিলল এরদোয়ান পুত্রের, দিলেন আজানও

উত্তরাখণ্ডে ৮৬ মুসলিম পরিবারের বাড়ি উচ্ছেদ, কংগ্রেস এমপির প্রশ্ন—‘শুধু মুসলিমদের বাড়িই কি অবৈধ’

ফিলিস্তিনিদের নিজেদের আবাসভূমি নিশ্চিত না হলে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা আসবে না: জর্ডান