শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন মানবাধিকার কর্মী নাভি পিল্লাই। যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় তাকে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নরওয়ের নোবেল কমিটি।
নাভি পিল্লাই দক্ষিণ আফ্রিকার একজন বিশিষ্ট মানবাধিকার আইনজীবী এবং বিচারক।
তিনি ১৯৪১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে ভারতীয় তামিল বংশোদ্ভূত এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। নাটাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জনের পর হার্ভার্ড ল স্কুল থেকে এলএলএম ও ডক্টরেট (এসজেডি) ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। হার্ভার্ড থেকে আইনে ডক্টরেট প্রাপ্ত প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকান নারী নাভি পিল্লাই।
দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করা অনেক রাজনৈতিক বন্দি ও কর্মীর পক্ষে তিনি আইনি লড়াই করেছেন। বর্ণবাদবিরোধী নেতা নেলসন ম্যান্ডেলাসহ অন্যদের পক্ষে আইনি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে তার কর্মজীবন শুরু হয়।
তিনি ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকোর্ট, রুয়ান্ডার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করে নাভি পিল্লাই।
১৮৯৫ সালে সুইডিশ শিল্পপতি আলফ্রেড নোবেলের উইলের মাধ্যমে সৃষ্ট এই শান্তি পুরস্কার তাকেই দেওয়া হয়, যিনি বা যারা জাতিগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি, স্থায়ী সেনাবাহিনী বিলুপ্ত কিংবা হ্রাস এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা ও প্রসারে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন।
আরএ