ওমান উপসাগর ও খার্গ দ্বীপের কাছে ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র । দুই দিনে দুবার মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করার অভিযোগ তুলে ওমান উপসাগর ও খার্গ দ্বীপের কাছে এসব হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এসব হামলার জবাবে জর্ডানের আল-আযরাক ঘাঁটিতে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত দুই দিনে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে দুবার হামলার চেষ্টা করেছিল। তবে জাহাজটি ‘সফলভাবে ইরানের হামলা এড়িয়ে যায়’। সেন্টকম বলেছে, ‘কোনো মার্কিন সেনা বা কর্মী আহত হননি।’
এরপর পাল্টা জবাবে ইরানের তেলবাহী জাহাজগুলোতে হামলা চালিয়ে ধ্বংস করার কথা জানিয়েছে সেন্টকম। হামলা চালানো ট্যাংকারগুলো হলো এম/টি কাভিজ, এম/টি চারমিনার, এম/টি হরাইজন-১ ও এম/টি রিয়েস্কো। এগুলো ওমান উপসাগরে ছিল। এছাড়া খার্গ দ্বীপের কাছে এম/টি দেরিয়া নামের আরেকটি ট্যাংকারেও হামলা চালানো হয়।
সেন্টকম আরো জানায়, হামলার আগে মার্কিন বাহিনী জাহাজগুলোর কর্মীদের সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছিল। এরপর ট্যাংকারগুলোতে হামলা চালিয়ে সেগুলো অচল করে দেওয়া হয়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি খার্গ দ্বীপের কাছে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি এই দ্বীপের মাধ্যমে হতো। আইআরআইবি জানিয়েছে, হামলার পর জাহাজের কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ওমান উপসাগরের দক্ষিণাঞ্চলীয় জাস্ক বন্দরের কাছেও আরেকটি ট্যাংকারে হামলা হয়েছে বলে জানায় তারা।
সূত্র: আল জাজিরা
আরএ