হোম > বিশ্ব

অস্ত্র রাখা হামাসের বৈধ অধিকার: আল-হায়া

আতিকুর রহমান নগরী

ছবি: সংগৃহীত

হামাস প্রধান খলিল আল-হায়া বলেছেন, অস্ত্র রাখার `বৈধ অধিকার’ তাদের আছে। গাজা যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পর্যায়ের যেকোনো প্রস্তাবে এই অধিকার বজায় রাখতে হবে বলেও জানান তিনি। রোববার হামাস পরিচালিত আল-আকসা টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে তিনি একথা বলেন। খবর দ্য ডনের।

আল-হায়া বলেন, হামাসের অস্ত্র আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বৈধ অধিকার এবং এটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।

তিনি বলেন, ‘এই অধিকার সংরক্ষণের পাশাপাশি একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নিশ্চয়তা প্রদানকারী যেকোনো প্রস্তাব আমরা পর্যালোচনা করতে প্রস্তুত।’

১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। কিন্তু ইসরাইল প্রতিদিনই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় হামলা চালাচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনার তিনটি ধাপ রয়েছে। চুক্তির প্রথম পর্যায়ে, ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে বন্দি বিনিময়।

দ্বিতীয় ধাপে ইসরাইলি সেনারা গাজায় তাদের অবস্থান থেকে আরো সরে যাবে এবং তাদের স্থলাভিষিক্ত হবে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী, যখন হামাস তাদের অস্ত্র সমর্পণ করবে। ইসরাইল বারবার জোর দিয়ে বলেছে, হামাসকে নিরস্ত্র করা হবে।

তৃতীয় ধাপে ইসরাইলের সামরিক অভিযানে বিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্গঠন।

হায়া নিশ্চিত করেছেন, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় হামাসের অস্ত্র উৎপাদনকারী শাখার প্রধান নিহত হয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণ বর্তমানে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ৭০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যার মধ্যে সবশেষ ছিলেন মুজাহিদ কমান্ডার রায়েদ সাদ ও তার সঙ্গীরা।’

আরএ

থাইল্যান্ড উপকূলে জাহাজডুবি, ১৬ বাংলাদেশি নাবিক উদ্ধার

জাপানে আগাম নির্বাচনে তাকাইচির দলের জয় প্রায় নিশ্চিত

বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষমতার ভারসাম্যে নতুন সমীকরণ

কেবল ট্রাম্পই যুদ্ধ বন্ধ করতে পারে: ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যতক্ষণ দখলদারিত্ব থাকবে, ততক্ষণ প্রতিরোধ করবে হামাস: মেশাল

মার্কিন বাহিনী মোতায়েনে ভীত নয় ইরান, পারমাণবিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে

কঙ্গো থেকে শান্তিরক্ষী সেনা প্রত্যাহার করবে দক্ষিণ আফ্রিকা

পোল্যান্ডে শিশুদের সুরক্ষায় সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা

যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে তীব্র ঠান্ডা, সতর্কতায় প্রায় ৮ কোটি মানুষ

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে যৌথ অগ্রযাত্রায় ভারত ও মালয়েশিয়া