হোম > বিশ্ব

‘ট্রাম্পই দলকে ডুবাচ্ছেন’, মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবির শঙ্কায় রিপাবলিকানরা

সিএনএন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর মাত্র তিন সপ্তাহ বাকি। এরই মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কায় পড়েছে তার দল রিপাবলিকান পার্টি। একসময় নিরাপদ মনে করা আসনগুলোতেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা কঠিন হয়ে উঠেছে। এতে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিজেদের শক্ত ঘাঁটির আসনগুলো রক্ষায় প্রচারের অর্থ বাড়াচ্ছেন দলটির নেতারা। এমনকি যেসব এলাকায় ট্রাম্পের উপস্থিতি ভোটারদের বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে, সেখানে তাকে প্রচারে না রাখার বিষয়টিও ভাবছেন রিপাবলিকানদের কেউ কেউ।

পুনর্নির্বাচনে লড়তে থাকা রিপাবলিকান পার্টির এক প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নিয়ে বলেন, ‘ট্রাম্পই দলকে ডুবাচ্ছেন।’

কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রকাশিত জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পথে রয়েছে রিপাবলিকানরা। ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভোটারদের ক্ষোভ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সিনেটেও নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে দলটির জন্য।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনের সংখ্যা বাড়ায় রিপাবলিকান নেতাদের পরিকল্পনাও জটিল হয়ে উঠেছে। শেষ মুহূর্তের প্রচারে কয়েক শ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করে নির্বাচনি পরিস্থিতি নিজেদের অনুকূলে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। ট্রাম্পপন্থি সুপার প্যাক ম্যাগা ইনকরপোরেটেডের অর্থসহ বিপুল তহবিল থাকলেও এখন পর্যন্ত সেই ব্যয় নির্বাচনি সম্ভাবনায় বড় পরিবর্তন আনতে পারেনি। উল্টো যেসব আসনে সহজ জয় প্রত্যাশা করা হয়েছিল, সেগুলো রক্ষায় অর্থ সরিয়ে নিতে হচ্ছে।

সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পক্ষে কাজ করা শীর্ষ সুপার প্যাক সিনেট লিডারশিপ ফান্ড উত্তর ক্যারোলাইনায় বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য বরাদ্দ স্থগিত করেছে। একই সঙ্গে কানসাসে অন্তত ১ কোটি ডলার ব্যয় করেছে তারা। ১৯৩২ সালের পর অঙ্গরাজ্যটি থেকে কোনো ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত হননি।

দক্ষিণ ক্যারোলাইনায়ও রিপাবলিকানদের উদ্বেগ বাড়ছে। সেখানে বর্তমান সিনেটর ডারলিন গ্রাহামকে সহায়তা করতে সম্প্রতি ৫০ লাখ ডলার ব্যয় করেছে সিনেট লিডারশিপ ফান্ড। অঙ্গরাজ্যটিতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী অ্যানি অ্যান্ড্রুজের কাছে গ্রাহাম পিছিয়ে পড়ছেন বলে রিপাবলিকানদের একাংশের আশঙ্কা।

টেক্সাসেও রিপাবলিকান প্রার্থী কেন প্যাক্সটনকে সহায়তা করতে ১০ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় করেছে এই তহবিল। দলীয় প্রাথমিক নির্বাচনের তিক্ত লড়াইয়ের পর এখন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস টালারিকোর বিরুদ্ধে নিজেদের দলের সমর্থন ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন প্যাক্সটন। তার পক্ষে ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে এক মাসে তিনবার টেক্সাস সফর করেছেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের এক উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা সবাই আশা করেছিলাম, যুদ্ধটি এখন শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু তা হয়নি। টেক্সাসের মতো জায়গায় আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়ার কথা ছিল না। অথচ এখন সেখানে লড়াই করতে হচ্ছে।’

প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনেও অর্থ ব্যয়ের পরিকল্পনা নতুন করে সাজাচ্ছেন রিপাবলিকান নেতারা। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তির মতে, আগামী কয়েক দিনে দলটি যেসব আসনে জয়ের সম্ভাবনা দেখছে, সেগুলোতে আরো বেশি অর্থ ব্যয় করবে। অন্যদিকে যেসব প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা কমে যাচ্ছে, তাদের জন্য বরাদ্দ কমানো হতে পারে। এর লক্ষ্য হলো, নিজেদের আসন ধরে রাখতে পারবেন বা ডেমোক্র্যাটদের শক্ত ঘাঁটিতে জয় পেতে পারেন এমন প্রার্থীদের পেছনে অর্থ ও প্রচারের শক্তি কেন্দ্রীভূত করা।

শুক্রবার প্রকাশিত কুক পলিটিক্যাল রিপোর্টের মূল্যায়নও রিপাবলিকানদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে প্রতিনিধি পরিষদের ১৮টি আসনের নির্বাচনি সম্ভাবনা ডেমোক্র্যাটদের দিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আইওয়া, পেনসিলভানিয়া ও ওয়াশিংটনের পাঁচটি আসনকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আসন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এসব আসনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের জয়ের সম্ভাবনা এখন বেশি।

সিনেটের পরিস্থিতিও রিপাবলিকানদের স্বস্তি দিচ্ছে না। টেক্সাসে প্যাক্সটনের একটি ব্যক্তিগত তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানের অডিও ফাঁস হয়ে ধারাবাহিকভাবে তার জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করছে। রিপাবলিকান নেতাদের অনেকে আগে থেকেই তার প্রচার কৌশল নিয়ে অসন্তুষ্ট। জর্জিয়া ও উত্তর ক্যারোলাইনার মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে জনমত জরিপে এগিয়ে রয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। এমনকি আলাস্কা ও কানসাসের মতো রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিতেও ডেমোক্র্যাটরা জোরালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলছেন।

মিশিগানের রিপাবলিকান কৌশলবিদ জেসন রো বলেন, ‘পরিস্থিতি এর চেয়ে খারাপ আর কী হতে পারে, তা আমি জানি না। আমরা যদি এই নির্বাচনে হারি, তাহলে জেতার কোনো সুযোগই ছিল না।’ তিনি প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য টম ব্যারেটের নির্বাচনি প্রচারে পরামর্শ দিচ্ছেন। ব্যারেটের সঙ্গে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী উইল লরেন্সের লড়াই এখন প্রায় সমানে সমান।

হোয়াইট হাউসের ভেতরেও পরিস্থিতির কঠিন বাস্তবতা নিয়ে সচেতনতা রয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা কঠিন হতে পারে বলে ট্রাম্প ও তার শীর্ষ উপদেষ্টারা মনে করছেন। সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর ঝুঁকিও বাড়ছে।

তবে রিপাবলিকানরা এখনো আশা করছেন, বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব। তাদের ধারণা, নির্বাচনের শেষ দিনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোতে জনমত জরিপের ব্যবধান কমে আসবে। প্রচারের বিজ্ঞাপন বাড়লে এবং এত দিন কম সক্রিয় থাকা রিপাবলিকান ভোটাররা নির্বাচনি লড়াইয়ে যুক্ত হলে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।

পুনর্নির্বাচনে লড়তে থাকা আরেক রিপাবলিকান প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য বলেন, ‘আমি বলছি না যে আমরা নিশ্চিতভাবে জিতব, সবকিছু দারুণ হবে। না, আমি তা বলছি না। কিন্তু আমরা কি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে যাব? না, তা হবে না।’

রিপাবলিকান নেতাদের যুক্তি, দলটির শক্তিশালী প্রার্থীরা সামগ্রিক জনমত জরিপে ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে থাকার ব্যবধান কমিয়ে দিতে পারেন। তাদের প্রত্যাশা, ডেমোক্র্যাটদের কয়েকজন অতিবামপন্থী প্রার্থীও প্রত্যাশার চেয়ে খারাপ করবেন।

তাদের মতে, কয়েকটি আসনে সামান্য ভোটের হেরফেরই প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো কিংবা আরো বাড়ানোর মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।

প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করার অঙ্গীকার করেছেন। নির্বাচনের আগে তিনি ২০টি অঙ্গরাজ্যের ৪০টির বেশি নির্বাচনী এলাকায় প্রচার চালাচ্ছেন। তার রাজনৈতিক যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক গ্রেগ স্টিল এক বিবৃতিতে বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা নির্ধারণ করবে—এমন প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় প্রয়োজনীয় সম্পদ পৌঁছে দিতে স্পিকার জনসন প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

ট্রাম্পের প্রচার নিয়ে রিপাবলিকানদের মধ্যে উদ্বেগ থাকলেও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা মনে করেন, তার উপস্থিতি দলের ভোটারদের উজ্জীবিত করতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ কয়েকটি নির্বাচনী এলাকা এড়িয়ে চললেও তার প্রচারে ফেরার আগ্রহকে কাজে লাগাচ্ছেন উপদেষ্টারা। তারা তাকে এমন এলাকায় পাঠাচ্ছেন, যেখানে তার উপস্থিতি রিপাবলিকান ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে সহায়ক হতে পারে।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় তাকে প্রচার থেকে দূরে রাখার আলোচনা অযৌক্তিক।

তার মতে, শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে কোন দল কম সক্রিয় ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে পারে তার ওপর। সমর্থকদের উজ্জীবিত করতেই ট্রাম্পকে বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হচ্ছে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডেভিস ইংল এক বিবৃতিতে ট্রাম্পকে রিপাবলিকান পার্টির ‘নিঃসন্দেহে নেতা, সবচেয়ে কার্যকর বার্তাবাহক এবং অতুলনীয় প্রেরণাদাতা’ বলে বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে ন্যাশনাল রিপাবলিকান কংগ্রেশনাল কমিটির মুখপাত্র মাইক মারিনেলা বলেছেন, প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জন্য তুলনামূলক সুবিধাজনক আসনের বিন্যাস, শক্তিশালী মাঠপর্যায়ের প্রচার, তহবিল সংগ্রহ ও ব্যয়ের ঐতিহাসিক সুবিধা এবং অভিজ্ঞ বর্তমান সদস্যরা রয়েছেন।

তার অভিযোগ, ডেমোক্র্যাটরা এমন প্রার্থীদের জেতানোর চেষ্টা করছেন, যাদের নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা নেই এবং যারা সমাজতন্ত্রী।

রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মনে করেন, জনমত জরিপকারী ও রাজনৈতিক কৌশলবিদেরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলটির সম্ভাবনাকে খুব দ্রুত বাতিল করে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের সময়ে যারা সবার আগে ফোন করে কথা বলেন, তারা আসলে লড়াইয়ের মধ্যে নেই। কী হচ্ছে, তা নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করার বদলে তারা বলতে চান, কেউ কিছু জানে না এবং সবকিছু শেষ।’

ট্রাম্পের সাম্প্রতিক নির্বাচনী সমাবেশগুলো তার নিজের মনোভাব এবং রিপাবলিকানদের জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ বাড়িয়েছে বলে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার টেক্সাস সফরের পর শুক্রবার নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের উত্তরাঞ্চলে গভর্নর পদপ্রার্থী ব্রুস ব্লেকম্যানের পক্ষে প্রচার চালান ট্রাম্প।

তবে অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ এবং ইরান যুদ্ধের বিরোধিতার মুখে সব জায়গায় তার উপস্থিতি দলের জন্য সহায়ক নাও হতে পারে—এ বিষয়টি ট্রাম্পও পরোক্ষভাবে স্বীকার করেছেন।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ ও শুল্কনীতি নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করা রিপাবলিকান প্রার্থীদের তিনি প্রকাশ্যে তিরস্কার করেননি। কারণ, তাদের ‘নির্বাচনী প্রচার চালাতে হবে’। তবে এসব প্রার্থী সাধারণত অবস্থান নেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

ট্রাম্পের সঙ্গে নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় আলাদা করে তুলে ধরার চেষ্টা করা কিছু ঝুঁকিতে থাকা রিপাবলিকান প্রার্থীর নির্বাচনী এলাকা থেকেও তিনি দূরে রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন মেইনের সিনেটর সুসান কলিন্স। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের মেইন সফরের পরিকল্পনা নেই। তবে তাঁর কর্মসূচি পরিবর্তন হতে পারে বলেও তারা সতর্ক করেছেন।

তারপরও ট্রাম্পের প্রভাব থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে পারবেন—এমন প্রত্যাশা রিপাবলিকান প্রার্থীদের নেই বললেই চলে। হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর প্রায় দুই বছর ধরে দলীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়েছেন ট্রাম্প। এখন তার উপদেষ্টারা নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে প্রার্থীদের নিজেদের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরার পরামর্শ দিচ্ছেন। কেন তারা আবার কংগ্রেসে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য এবং নির্বাচিত হলে ভোটারদের অসন্তোষ দূর করতে কী করবেন—সেটিই তুলে ধরতে বলা হচ্ছে।

ট্রাম্পের এক উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন আমরা প্রত্যেকে নিজেদের মতো করে লড়ছি। দুই পক্ষের জন্যই পরিস্থিতি কঠিন। শেষ পর্যন্ত লড়াইটা হবে সরাসরি মুখোমুখি।’

এএম

মেক্সিকোতে ঘূর্ণিঝড়ে মৃত বেড়ে ৪

মধ্যপ্রাচ্যে দেশগুলোর অর্থনীতিতে মন্দার পূর্বাভাস

বাড়িতে তল্লাশির পর ইলহান ওমরের ঘোষণা, ‘চুপ করানো যাবে না’

‘সংবিধান হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে সবাই ঐক্যবদ্ধ’

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের দলকে জেতাতে ৩৪০৪ কোটি টাকা দিলেন ইলন মাস্ক

নির্বাচনের ঝড়ে বদলে যেতে পারে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ

সৌদি-হুথি সমঝোতায় মধ্যস্থতা করছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র জড়ালে পাল্টা আঘাতের হুমকি

ট্রাম্পের সমালোচক ইলহান ওমরের বাড়িতে মার্কিন কেন্দ্রীয় সংস্থার তল্লাশি

স্কুলে হিজাব পরতে বাধা দেওয়ায় বিক্ষোভে উত্তাল আজারবাইজান

যুদ্ধের ধাক্কায় সংকুচিত হবে মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি: আইএমএফ