হোম > বিশ্ব

গাজা যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পকে ৪ ডেমোক্র্যাট আইনপ্রনেতার চিঠি

আতিকুর রহমান নগরী

গাজা যুদ্ধ বন্ধে সকল পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের চার ডেমোক্র্যাট সদস্য । স্থানীয় সময় শুক্রবার তারা এ বিষয়ে প্রেসিডেন্টের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। খবর বার্তা সংস্থা আনাদোলুর।

ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা গ্রেগরি মিকস, রোজা ডেলাউরো, জিম হিমস এবং জেমি রাসকিন এ চিঠি পাঠান। তারা বলেন, নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকেই তারা এ চিঠি পাঠিয়েছেন।

চিঠিতে তারা লেখেন, ‘আমরা আপনাকে সংঘাতের একটি তাৎক্ষণিক, ন্যায্য এবং টেকসই অবসান ঘটাতে মার্কিন কূটনীতির পূর্ণ শক্তি ব্যবহার করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

তারা বলেন, গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের প্রাথমিক সামরিক উদ্দেশ্য অনেক আগেই অর্জিত হয়েছে।

তাদের মতে, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া কেবল আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং মানবিক বিপর্যয় বাড়াবে তাই নয় বরং ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনিদের দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

ডেমোক্র্যাট এই আইনপ্রণেতারা আরো বলেন, ‘এখন সময় এসেছে আপনার সকল প্রাসঙ্গিক পক্ষ - ইসরাইল, ফিলিস্তিনি নেতা, আঞ্চলিক অংশীদার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সাথে বিলম্ব না করে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনার।’

তারা ট্রাম্পকে তার কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মূল লক্ষ্য হিসেবে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তারা আরো বলেছেন, ‘হামাসকে বাদ দিয়ে গাজাকে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের যেকোনো পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করতে হবে।’

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলি ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের যোদ্ধারা। ওইদিন থেকেই গাজায় হামলা শুরু করে ইসরাইল; যা এখনো চলেছে।

আরএ

সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বাড়িয়ে শক্তিশালী হচ্ছে চীন

ভারতে কি আবারো বিজেপিকে জেতানোর নীলনকশা চলছে

পাকিস্তানে ইমরান খানের পরিবারকে পুলিশের দমন-পীড়ন

আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা বারবার লঙ্ঘনের ঘটনায় মরক্কোর গভীর উদ্বেগ

যেভাবে সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়ে আরো শক্তিশালী হচ্ছে ইরান

হামাস কর্মকর্তাকে হত্যার দাবি ইসরাইলের

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

আফগানিস্তানের ৮ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি পাকিস্তানের

শাহবাজের অনুরোধে লংমার্চ স্থগিত করল জামায়াত

রুপির বিপরীতে টাকার ১১ দশমিক ৬ শতাংশ উত্থান