আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে ও আদালতটির কর্মকর্তা আবদুলায়ে সেয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার মার্কিন অর্থ বিভাগ তাদের নাম ‘স্পেশাললি ডিজাইনেটেড ন্যাশনালস’ (এসডিএন) তালিকায় যুক্ত করে।
নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তাদের সম্পদ জব্দ হবে এবং মার্কিন নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে তাদের আর্থিক লেনদেন নিষিদ্ধ হবে। ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা নির্বাহী আদেশের আওতায় এ নিয়ে আইসিসির ১০ কর্মকর্তা নিষেধাজ্ঞার তালিকায় পড়লেন।
গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ২০২৪ সালের নভেম্বরে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর আইসিসির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ আরো বেড়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অভিযোগ করেছেন, আকানে ও সেয়ে এমন কার্যক্রমে সরাসরি যুক্ত ছিলেন, যার মাধ্যমে আইসিসি এমন দেশের কর্মকর্তাদের তদন্ত, গ্রেপ্তার বা বিচারের আওতায় আনতে চাইছে, যারা আদালতের এখতিয়ার মেনে নেয়নি।
রুবিও বলেন, আইসিসির প্রভাব ও কার্যক্রম বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগ আরো বিস্তৃত হবে এবং অন্যান্য দেশকেও আদালটির অর্থায়ন ও অংশগ্রহণ বন্ধ করার আহ্বান জানান।
তবে আইসিসি প্রেসিডেন্ট আকানে এর আগে বলেছিলেন, নিষেধাজ্ঞা আদালতের বিচারিক স্বাধীনতাকে প্রভাবিত করবে না। তিনি বলেন, কোনো পক্ষের চাপের কাছে আদালত নতি স্বীকার করবে না এবং স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতাই তাদের মূলনীতি। সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আইসিসি এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
সূত্র: আনাদোলু
আরএ