হোম > বিশ্ব

সুদান যুদ্ধে আমিরাতের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা নিয়ে লন্ডনে বিশাল বিলবোর্ড

আতিকুর রহমান নগরী

ছবি: মিডল ইস্ট আই।

সুদান যুদ্ধে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূমিকা নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন তুলেছেন সংঘাত বিশ্লেষকরা। যেখানে আমিরাত গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত আধাসামরিক গোষ্ঠী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) কে সমর্থন করছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের এমন প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকাকে উপস্থাপন করে লন্ডনে একটি বিশাল বিলবোর্ড প্রচার করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এটি অলাভজনক সংস্থা আভাজের।

মিডল ইস্ট আই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ছবি দিয়ে দেখানো হয়েছে, একজন তরুণী একটি ইনফিনিটি সুইমিং পুলে বিজয়সূচক (ভি) চিহ্ন দিয়ে সেলফি তুলছেন আর তার পিছনে রয়েছে দুবাইয়ের আকাশচুম্বী ভবনগুলো। আর তার পাশেই ফোনে তোলা সেলফিটি কেমন দেখাচ্ছে তা দেখানো হয়েছে, যেখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে আর আকাশচুম্বী ভবনগুলো দেখাচ্ছে না বরং দেখাচ্ছে সুদানের যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞ।

আর বিলবোর্ডে অবস্থানের চিহ্ন সহ দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত লেখা ক্যাপশনে লেখা আছে: ‘সুদানে তারা যা করছে তা জানতে পারলে তোমার সেলফিটি আর ভালো দেখাবে না।’ ছবিটি একটি ভ্যানের পাশে প্রজেক্ট করে মধ্য লন্ডনে চালানো হচ্ছে। দিনে ও রাতে ২৪ ঘণ্টায় প্রতি ৮০ সেকেন্ডে পুনরাবৃত্তি করে প্রচার করা হচ্ছে প্রচারণাটি।

বিলবোর্ডটিতে একটি কিউআর কোড রয়েছে যা ব্যবহারকারীকে সুদানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূমিকা সম্পর্কে নিবন্ধগুলির সাথে সংযুক্ত করে, যার মধ্যে মিডল ইস্ট আই, দ্য গার্ডিয়ান এবং নিউ ইয়র্ক টাইমসের সংবাদগুলো যুক্ত করা হয়েছে।

লন্ডনের একজন পথচারী শুক্রবার বিকেলে আভাজ-এ প্রকাশিত একটি পোস্টে প্রচারকদের বলেন, ‘এটা খুবই আকর্ষণীয় দুবাই, সত্যি কথা বলতে, আমি কখনই ভাবতাম না যে দুবাই যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত।’

আরেকজন বলেন, ‘আমার মনে হয় না, আমি আর এখন দুবাই যাব।’

সংযুক্ত আরব আমিরাত আরএসএফকে সমর্থন করার কথা অস্বীকার করে আসছে এবং সম্প্রতি বলেছে যে সোমালিয়ার বোসাসোতে একটি ঘাঁটি ব্যবহারের বিষয়ে মিডল ইস্ট আই -এর একটি প্রতিবেদনটি বানানো ছিল। কিন্তু যুদ্ধজুড়ে এর জড়িত থাকার প্রমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা, অস্ত্রের সিরিয়াল নম্বর, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের একাধিক সূত্র - সেইসাথে ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা - এবং ভিডিও ফুটেজ দেখায় যে সংযুক্ত আরব আমিরাত আরএসএফকে অস্ত্র এবং অন্যান্য সহায়তা পাঠাচ্ছে, যার নেতৃত্বে আছেন আবুধাবির দীর্ঘদিনের সহযোগী মোহাম্মদ হামদান দাগালো।

একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকে দারফুরে বিদ্রোহ দমনের জন্য স্বৈরাচারী সুদানী সরকার ওমর আল-বশিরের মোতায়েন করা জানজাউইদ মিলিশিয়াদের মধ্য থেকে গড়ে ওঠা আরএসএফ, ২০১৩ সাল থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সুদানী রাষ্ট্র এবং এর সামরিক বাহিনীর অংশ ছিল, এসময় তারা সুদানী সশস্ত্র বাহিনীর (এসএএফ) সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে। দুটি বাহিনী এবং তাদের মিত্ররা তখন থেকেই যুদ্ধে লিপ্ত, যার ফলে ১ কোটি ৪০ লক্ষেরও বেশি সুদানী মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পর তেহরান সফরে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

রিয়াদের বাসিন্দাদের ফোনে বিমান হামলার হুমকির সতর্কতা

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল

এল-সাইদের ধর্মবিশ্বাসে আক্রমণ রিপাবলিকানদের, উত্তপ্ত টাউন হল

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের প্রত্যাশা কি অতিরিক্ত বেশি

ইসরাইলের সঙ্গে মিলে কি ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

কলম্বিয়ায় অবৈধ স্বর্ণখনি ধসে নিহত ১৪, নিখোঁজ ১৫

ইসরাইলে সাত বছরে ষষ্ঠ নির্বাচন, কপাল পুড়তে পারে নেতানিয়াহুর

যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে ভর্তিতে জাতিগত বৈষম্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

সুদানে ড্রোন হামলায় কয়েক দিনে ১৬০ জনের বেশি নিহত