হোম > বিশ্ব > আমেরিকা

‘বিচ্ছিন্ন ও কঠোর’ বৈশ্বিক ব্যবস্থার কাছে নতি স্বীকার করবে না ইউরোপ: কার্নি

আমার দেশ অনলাইন

ইউরোপ কোনো ‘লেনদেনভিত্তিক, অন্তর্মুখী ও কঠোর’ বিশ্বব্যবস্থায় আত্মসমর্পণ করবে না বলে মন্তব্য করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। বরং ইউরোপই হতে পারে সেই কেন্দ্র, যেখান থেকে একটি নতুন আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা পুনর্গঠিত হতে পারে বলে তিনি মত দেন।

সোমবার ইউরোপীয় পলিটিক্যাল কমিউনিটির (ইপিসি) সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে কার্নি বলেন, ‘আমরা মনে করি না যে আমাদের এমন একটি আরও লেনদেননির্ভর, অন্তর্মুখী এবং কঠোর বিশ্বে বাধ্য হয়ে মানিয়ে নিতে হবে। এ ধরনের বৈঠকই একটি উন্নত ভবিষ্যতের দিক নির্দেশ করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত দৃঢ় বিশ্বাস হলো, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা পুনর্গঠিত হবে এবং তা ইউরোপ থেকেই শুরু হবে।’

আর্মেনিয়ার ইয়েরেভানে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ইউরোপের বাইরের প্রথম নেতা হিসেবে অংশ নেন কার্নি। রাশিয়ার প্রভাব থেকে ককেশাস অঞ্চলের ছোট দেশ আর্মেনিয়াকে দূরে রাখার কৌশল হিসেবে এই স্থান নির্বাচন করা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সম্মেলনটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বেড়েছে এবং ন্যাটোতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নতুন করে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জার্মানি থেকে ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ার পর ইউরোপীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, ‘আমাদের নির্ভরশীল অনেক জোট এখন আগের অবস্থায় নেই। এই সম্পর্কগুলোতে আগের চেয়ে বেশি উত্তেজনা রয়েছে।’ তিনি সতর্ক করে বলেন, এই উত্তেজনার প্রতিক্রিয়াই ভবিষ্যৎ দশকগুলোর দিক নির্ধারণ করবে।’

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, ইউরোপীয় দেশগুলো এখন নিজেদের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যয় বাড়াচ্ছে এবং নিজেদের সমাধান নিজেরাই তৈরি করছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়া গ্রীষ্মে যুদ্ধ বিস্তৃত করবে নাকি কূটনীতির পথে যাবে—এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো আলোচনায় ইউরোপকে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে তিনি বিস্মিত নন, তবে এর সময় নির্বাচন চমকপ্রদ। তিনি বলেন, ‘এটি দেখায় যে আমাদের ন্যাটোর ইউরোপীয় স্তম্ভকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।’

ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে স্বীকার করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু হতাশা রয়েছে ইউরোপের অবস্থান নিয়ে, তবে ইউরোপ এখন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রমে লজিস্টিক সহায়তা দিচ্ছে এবং ভবিষ্যৎ অভিযানের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

এসআর

১৫ লাখ ডলার জরিমানা দিতে রাজি হলেন ইলন মাস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় চীন কি লাভবান হচ্ছে

টেক্সাসে মুসলমানদের জন্য আবাসন গড়ে তোলার পরিকল্পনা

পরবর্তী ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ কেন আরও তীব্র হতে পারে

যুক্তরাষ্ট্রে অবতরণের সময় ল্যাম্পপোস্ট ও ট্রাকে বিমানের ধাক্কা

ইরানের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা চলছে : ট্রাম্প

চীন সফর নিয়ে চাপে ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র জ্বালানি সংকট, রেকর্ড উচ্চতায় ডিজেলের দাম

তেলআবিবকে পাশ কাটিয়ে ইরান যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে ওয়াশিংটন, কোণঠাসা নেতানিয়াহু

চলমান ইরান সংঘাতের মাঝেই মার্কিন যুদ্ধবিমান কিনছে ইসরাইল