হোম > বিশ্ব > আমেরিকা

শেয়ারবাজারে লেনদেন নিয়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

আমার দেশ অনলাইন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের লেনদেনকে কেন্দ্র করে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে ডেমোক্র্যাটরা। যদিও ট্রাম্পের ছেলে এরিক ট্রাম্প এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ডেমোক্র্যাট সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “প্রেসিডেন্টের দুর্নীতি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এক ধরনের বিপর্যয়।”

ওয়ারেন বিশেষভাবে এনভিডিয়ার শেয়ার কেনার বিষয়টি উল্লেখ করেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে ব্যবহৃত উন্নত চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়াকে চীনে পণ্য বিক্রির অনুমতি দেন ট্রাম্প। এর ফলে সাময়িকভাবে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়ে যায়।

ওয়ারেন দাবি করেন, “ট্রাম্প এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংকে সঙ্গে নিয়ে চীন সফরে গিয়েছিলেন, যাতে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে উন্নত এআই চিপ কেনার জন্য রাজি করাতে পারেন। অথচ এটি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “পরে দেখা গেল, ট্রাম্প নিজেও এনভিডিয়ার কোটি কোটি ডলারের শেয়ার কিনেছেন।”

তবে ট্রাম্প পরিবারের ব্যবসা পরিচালনাকারী এরিক ট্রাম্প অভিযোগ নাকচ করে দেন। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, “আমাদের সব সম্পদ বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্লাইন্ড ট্রাস্টে বিনিয়োগ করা হয়েছে। ট্রাম্প পরিবারের কেউ ব্যক্তিগতভাবে নির্দিষ্ট শেয়ার কেনাবেচা করেছেন—এমন দাবি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।”

সরকারি কোনো পদে না থাকলেও সম্প্রতি চীন সফরে বাবার সঙ্গে ছিলেন এরিক ট্রাম্প। একই সফরে অংশ নেন এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াংও।

ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট গভর্নর জেবি প্রিটজকার এক্সে ট্রাম্পকে “আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রেসিডেন্ট” বলে আখ্যা দেন।

ক্ষমতায় ফেরার পর ট্রাম্প তার পারিবারিক ব্যবসার ব্যবস্থাপনা ছেলে এরিক ট্রাম্প ও ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের হাতে তুলে দিয়েছেন। তবে প্রথম মেয়াদের তুলনায় এবার নৈতিক বিধিনিষেধ তুলনামূলক শিথিল রাখা হয়েছে।

আগে ট্রাম্প পরিবারের বিদেশি বিনিয়োগে স্থগিতাদেশ ছিল, কিন্তু এবার তা নবায়ন করা হয়নি।

সম্প্রতি ট্রাম্প অর্গানাইজেশন জর্জিয়ার রাজধানী তিবলিসিতে একটি হোটেল কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে।

সমালোচকদের মতে, ট্রাম্প প্রায়ই সরকারি দায়িত্ব ও ব্যক্তিগত ব্যবসার সীমারেখা অস্পষ্ট করে ফেলছেন। উদাহরণ হিসেবে তার ব্যক্তিগত আবাসনে কূটনৈতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়টি উল্লেখ করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত নথিতে দেখা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে ২০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এতে অ্যামাজন, অ্যাপল, মাইক্রোসফট ও বোয়িংয়ের মতো বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের শেয়ার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অর্থবিষয়ক সাময়িকী ফোর্বসের হিসাবে, ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৫০ কোটি ডলার, যা এক বছরে প্রায় ১৪০ কোটি ডলার বেড়েছে।

সূত্র: এএফপি

এসআর

ইরানের সঙ্গে ‘অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ’ শুরু করেছেন ট্রাম্প: ওবামা

ব্রাজিলে ভোটগ্রহণ শেষ, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে লুলা ও বলসোনারো

মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দিলেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে মুহাম্মদ ও মরিয়ম নামের জনপ্রিয়তা বাড়ছে

নিউইয়র্কের ক্যাথলিক গির্জায় যাজকদের যৌন নিপীড়নের শিকার ১৩০০ জন

ট্রাম্পকে ‘নিষ্ঠুর ও দুর্নীতিবাজ’ আখ্যা দিয়ে ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানালেন বারাক ওবামা

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এগিয়ে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক আদালত: প্রসিকিউটর

১৫ বছর বয়সে পুরো কুরআন পড়েছেন চেলসি ক্লিনটন, বাবাকেও পড়তে বলেছেন

সূরা আল-হুজুরাতের ১৩ নম্বর আয়াত উল্লেখ করে যা বললেন বিল ক্লিনটন

কেন ইলহান ওমরের নাম নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ট্রাম্প