যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফর লন্ডন ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক রাজকীয় কর্মকর্তারা। রাজপরিবারের একজন সাবেক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে রাজার সৌহার্দ্যপূর্ণ উদ্যোগ লন্ডন ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার সম্পর্কে 'রিসেট বাটন' টিপেছে। খবর বিবিসির।
রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সাবেক প্রেস সচিব আইলসা অ্যান্ডারসন বলেন, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক যেন নতুন করে শুরু হয়েছে। অ্যান্ডারসন ২০০১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের যোগাযোগ ও প্রেস সচিব ছিলেন
বিবিসি রেডিও ৫ লাইভ ব্রেকফাস্ট অনুষ্ঠানে তিনি জানান, রাজা চার্লস এখন বড় ধরনের ভাষণ দিতে আগের চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেন, ‘রাজা দলীয় রাজনীতির বাইরে থাকায় তিনি মার্কিন জনগণের কাছে বিশেষ বার্তা পৌঁছে দিতে পেরেছেন।’
অন্যদিকে, রানীর সাবেক যোগাযোগ সচিব সাইমন লুইস মন্তব্য করেন, এমন সময় এই সফর হয়েছে যখন দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক খুব ভালো অবস্থায় ছিল না। সাইমন লুইস ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের যোগাযোগ সচিব ছিলেন।
বিবিসি রেডিও ৪-এর টুডে প্রোগ্রামে তিনি বলেন, ‘রাজা অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দিয়েছেন, যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে সহায়তা করেছে।’
লুইস আরো বলেন, এই সফর সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করেই আয়োজন করা হয়েছিল এবং এর ইতিবাচক প্রভাব ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্পর্কেও প্রতিফলিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
রাজা চার্লসের এই সফর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ইতিবাচক ‘মুড’ তৈরি করেছে, যা ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।
এমএমআর