ইসরাইলি কোম্পানিগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রম ক্রমেই বাড়ছে ইন্দোনেশিয়ায়। এসব কোম্পানি ব্যবসা সম্প্রসারণ ও প্রচারের জন্য ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন স্থান, স্থানীয় সৃজনশীল প্রতিভা এবং বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে। অথচ দেশটি ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়নি, কয়েক দশক ধরে ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে এবং ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও ফিলিস্তিনিদের অধিকারকে ধারাবাহিকভাবে সমর্থন করে আসছে।
ইসরাইলি চশমা কোম্পানি সুইফটঅপটিক্স ইন্দোনেশিয়ায় প্রচারণামূলক কনটেন্ট তৈরি করেছে। অথচ ইন্দোনেশিয়া ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেনি। তবে দেশটিতে ইসরাইলি কোম্পানির বাণিজ্যিক উপস্থিতি সেই অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নতুন প্রশ্ন তৈরি করছে।
ইসরাইলি কোম্পানির ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি উদ্বেগ তৈরি করছে। ইসরাইলি কোম্পানি কোম্পানি বাজারে প্রবেশ করে, স্থানীয় কর্মী নিয়োগ করে, ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন স্থানে প্রচারণামূলক ভিডিও তৈরি করে এবং স্থানীয় ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরপর তাদের পণ্য ইন্দোনেশিয়ার সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত দেখা যেতে থাকে। এভাবে সময়ের সঙ্গে ইসরাইলি ব্যবসা ইন্দোনেশিয়ার মানুষের কাছে পরিচিত ও স্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারে।
নিয়াস, বালি বা লম্বকের মতো ইন্দোনেশিয়ার স্থানগুলো কোনো ইসরাইলি কোম্পানি বাণিজ্যিক প্রচারে ব্যবহার করলে কোম্পানিটি শুধু ইন্দোনেশিয়ার বাজারে অংশ নিচ্ছে না, দেশটির প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পদও তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে ব্যবহার করছে। ইসরাইলি কোম্পানির বাণিজ্যিক কার্যক্রম ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রনীতি, বিদ্যমান বিধিনিষেধ এবং ফিলিস্তিন বিষয়ে দেশটির দীর্ঘদিনের অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।