বিচার কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার অভিযোগে, কারাবন্দি দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের সাজা বাড়িয়েছে আপিল আদালত। বুধবার তার সাজা পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে সাত বছর করা হয়েছে।
এর আগে জানুয়ারিতে একটি নিম্ন আদালত তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, গ্রেফতার ঠেকাতে প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ব্যবহার করেছিলেন তিনি। সিউল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ইউন ও প্রসিকিউশন দু’পক্ষই আপিল করে। ইউন দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা ‘অবৈধ তদন্তের’ ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে বিশেষ প্রসিকিউটররা বলেন, গুরুতর অপরাধের জন্য তার ১০ বছরের সাজা হওয়া উচিত।
সিউল হাই কোর্টের বিচারক বুধবার বলেন, ‘আসামিকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হলো।’
রায়ে তিনি উল্লেখ করেন, ইউনের কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য ও পরিণতি ছিল ‘অত্যন্ত নিন্দনীয়।’
বিচারক আরও বলেন, ‘আসামি শুধু প্রসিকিউটরসহ সংশ্লিষ্টদের আইনসম্মত পরোয়ানা বাস্তবায়নে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেননি।’
‘তিনি প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা সেবার সরকারি কর্মকর্তাদেরও বেআইনি নির্দেশ দেন, যাঁরা রাষ্ট্রের কর্মচারী। তাদের ব্যক্তিগত দেহরক্ষীর মতো ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন।’
আদালতে কালো স্যুট ও সাদা শার্ট পরে উপস্থিত ছিলেন ইউন। রায় শোনার সময় তার মুখে তেমন কোনো আবেগ দেখা যায়নি।
এর বাইরে, ২০২৪ সালের শেষ দিকে সামরিক আইন জারির ব্যর্থ চেষ্টার ঘটনায় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার গুরুতর অপরাধে তিনি ইতোমধ্যেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
এসআর