ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের একটি জাতীয় উদ্যানের দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে গিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল মোকাবিলা করছে দেশটি। শুক্রবার দেশটির বন মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পূর্ব জাভার ব্রোমো টেঙ্গার সেমেরু জাতীয় উদ্যানে আগুন নেভাতে গিয়ে কয়েকজন দগ্ধ হন। এতে চারজেনের মৃত্যু হয়। গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন আরো দুজন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া আগুনের প্রভাব দেশের সীমানা ছাড়িয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতেও পৌঁছেছে। আগুনের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা।
নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশ করেনি বন মন্ত্রণালয়। ইন্দোনেশিয়ার বন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণে সারা দেশে উচ্চমাত্রার নিশ্চয়তাসম্পন্ন ৭৯৯টি হটস্পট শনাক্ত করা হয়েছে। আগের দিনের তুলনায় এই সংখ্যা ৪২৭টি বেশি।
তবে মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, হটস্পটের সংখ্যা আর প্রকৃত আগুনের সংখ্যা এক নয়। একটি দাবানল থেকেও একাধিক হটস্পট শনাক্ত হতে পারে।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তো প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছ থেকে সহায়তা নেওয়ার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরমানাথা নাসির। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত মাসে মালয়েশিয়া আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তার জন্য তিনটি হেলিকপ্টার, একটি উড়োজাহাজ এবং ৫২ জন কর্মী পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে এ বিষয়ে পরবর্তী কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স। সিঙ্গাপুরও ইন্দোনেশিয়াকে সহায়তা দিতে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
আরএ