হোম > বিশ্ব > এশিয়া

বহুজাতিক কোম্পানি গঠনই অর্থনৈতিক উন্নতির কার্যকর পথ নয়

তান চং হুয়াট ও তান পো হুই এর নিবন্ধ

আমার দেশ অনলাইন

সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক নীতির পরবর্তী ধাপে বিদেশি বহুজাতিক কোম্পানির বিকল্প হিসেবে দেশীয় ‘চ্যাম্পিয়ন’ বা বড় বহুজাতিক কোম্পানি তৈরির ওপর অতিরিক্ত জোর না দিয়ে এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা উচিত, যেখান থেকে বৈশ্বিক ব্যবসাগুলোর জন্য সিঙ্গাপুরকে এড়িয়ে যাওয়া কঠিন হয়।

অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতার জন্য প্রতিটি খাতে বড় স্থানীয় কোম্পানি তৈরি করা জরুরি নয়। বরং ডিপ-টেক (গভীর প্রযুক্তি), দীর্ঘমেয়াদি বা ‘পেশেন্ট ক্যাপিটাল’ এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় স্থানীয় ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে অপরিহার্য অংশীদারে পরিণত করা বেশি কার্যকর পথ হতে পারে।

বিশ্বজুড়ে পরিচিত বিশাল সিঙ্গাপুরীয় কোম্পানির সংখ্যা কম—এই সমালোচনার জবাবে এইএম হোল্ডিংস ও মাইক্রো-মেকানিক্স এর মতো এমন স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন, যারা নির্দিষ্ট প্রযুক্তি বা শিল্পখাতে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

‘বিশ্বমানের সিঙ্গাপুরীয় কোম্পানি বানানো’কে সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি না ধরে, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সিঙ্গাপুরের অপরিহার্যতা বাড়ানোকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। এর জন্য স্থানীয় এসএমই, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকে এমনভাবে গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে, যাতে তারা আন্তর্জাতিক কোম্পানির সরবরাহ ও উৎপাদন নেটওয়ার্কে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করতে পারে।

সূত্র: দ্য স্ট্রেইটস টাইমস

কীভাবে শূন্য থেকে সমৃদ্ধির শিখরে ছোট্ট সিঙ্গাপুর

মাহাথির নাকি আনোয়ার—মালয়েশিয়ার উন্নয়নে কে এগিয়ে

নতুন নকশার প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া

আনোয়ার ইব্রাহিমের উদ্যোগে খুশি মালয়েশিয়ার নারীরা, মাতৃত্বকালীন ছুটির পরও মিলবে আর্থিক সহায়তা

মাউন্ট এভারেস্টের কাছে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ, নিহত ১

মধ্যপ্রাচ্য ক্ষমতাধরদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্র হওয়া উচিত নয়: জিনপিং

ভারত সীমান্ত ঘেঁষে এক দিনে ১০৮টি বৌদ্ধ প্যাগোডা নির্মাণ করল ভুটান

অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে সামরিক শক্তি প্রদর্শন উত্তর কোরিয়ার

দাবানলের ধোঁয়ায় সেপ্টেম্বরে ইন্দোনেশিয়ায় মৃত্যু ৩ হাজার ৫৬০

ভুটানে আকস্মিক বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি, ভারতে সতর্কতা