২০০টি বোয়িং বিমান কেনার ঘোষণা দিয়েছে বেইজিং।
বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
চীনের পক্ষ থেকে এই ক্রয়াদেশের প্রথম আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণের ঘোষণাটি এমন একসময়ে এলো যখন শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিন বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র চীনকে বিমানের ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ ও উপাদানের সরবরাহের নিশ্চয়তা প্রদান করবে।
মন্ত্রণালয় থেকে আরো জানানো হয়, উভয় পক্ষ গত অক্টোবরে সম্মত হওয়া শুল্ক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করবে এবং একে অপরের ৩০ বিলিয়ন ডলার বা তার চেয়ে বেশি মূল্যের পণ্যের ওপর শুল্ক হ্রাসের উপায় খুঁজবে।
এক বিবৃতিতে বোয়িং জানিয়েছে, ‘আমাদের চীন সফর অত্যন্ত সফল হয়েছে এবং বোয়িং বিমানের জন্য চীনের বাজার পুনরায় উন্মুক্ত করার মূল লক্ষ্য আমরা অর্জন করেছি। এর মধ্যে ২০০টি বিমানের প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং আমরা আশা করি এই প্রাথমিক ধাপের পর আরো প্রতিশ্রুতি আসবে।’
২০২৫ সালের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্রাম্প-জিনপিং বৈঠকের আগে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছান, যা তাদের শুল্ক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করে। সেই চুক্তির মধ্যে চীনা পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক হ্রাস এবং বিরল মৃত্তিকা খনিজ ও চুম্বক রপ্তানিতে বেইজিংয়ের দেওয়া বিধিনিষেধ স্থগিত রাখার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সূত্র: বিবিসি
এএম