কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো এবং ইরান-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কাতারের আমিরের দেওয়া বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান পরিস্থিতি ও তা আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কী প্রভাব ফেলতে পারে, সে বিষয়েও দুই নেতা মতবিনিময় করেন। এই আলোচনা এমন সময়ে হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে লক্ষ্য করে হামলার হুমকিও দিয়েছেন। খবর আনাদোলুর।
ইরানের দাবি, ওয়াশিংটন নিষেধাজ্ঞা, চাপ সৃষ্টি এবং অস্থিরতা উসকে দেওয়ার মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে বাহ্যিক হস্তক্ষেপের জন্য অজুহাত তৈরি করছে। ইরানি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, তাদের ওপর যেকোনো হামলা সীমিত হলেও তার জবাব হবে ‘ব্যাপক ও নজিরবিহীন’। প্রকাশ্য বিবৃতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মূল্যায়নের বরাতে এ কথা জানা গেছে।
এদিকে, শেখ তামিম ও ম্যাক্রোঁ গাজা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন। তারা যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় বেসামরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার উদ্যোগ এবং লেবাননে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি লেবাননের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয়েও মতবিনিময় হয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
গাজায় ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর যুদ্ধবিরতি ইসরাইলের চালানো দুই বছরের গণহত্যা বন্ধ করে। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, এই সংঘাতে ৭১ হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং ১ লাখ ৭১ হাজার ৫০০ জনের বেশি আহত হয়েছে।