ইরানের সশস্ত্র বাহিনী কখনো কোনো যুদ্ধ শুরু করেনি, তবে দেশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কোনো সামরিক আগ্রাসন বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী সাইয়্যেদ মাজিদ ইবনে আল-রেজা।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি-এর তথ্যমতে, ইবনে আল-রেজা বলেন, ইরান যাকে ‘রমজান যুদ্ধ’ বলে অভিহিত করছে, সেই সংঘাতে দেশটি আগের ১২ দিনের যুদ্ধে প্রবেশের সময়ের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে প্রবেশ করেছে।
তিনি সাম্প্রতিক এই যুদ্ধকে ইরানের জন্য একটি ‘কঠিন পরীক্ষা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, দেশটিতে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটলেও এটি বিশ্বে দেশটির ‘জাতীয় আত্মবিশ্বাসের’ শক্তিও প্রদর্শন করেছে।
তিনি বলেন, এই যুদ্ধ দেখিয়েছে যে, ইরানি জাতি যদি নিজের পায়ে দাঁড়ায়, তারুণ্যের ওপর আস্থা রাখে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে অগ্রভাগে রাখে এবং ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে তারা সব ধরনের হুমকি মোকাবিলা করতে পারে।
তিনি আরো দাবি করেন যে, পরের সংঘাতের সময় ইরান শত্রু ঘাঁটিতে অনুপ্রবেশ, আঞ্চলিক গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং আরো ব্যাপক ক্ষতিসাধনের সক্ষম হয়েছে। তিনি আরো বলেন, কৌশল ও প্রযুক্তিতে ইরানের আশ্চর্যজনক দিকগুলো আরো উন্নত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আজ ইরানের প্রতিরক্ষা শক্তি যুদ্ধবাজির জন্য নয়, বরং যুদ্ধ ও আগ্রাসন প্রতিরোধের জন্য।’
ইবন আল-রেজা আরও বলেন, আমরা কখনও কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন শুরু করিনি এবং কখনও করবও না। তিনি বলেন, ইরান তার ভূখণ্ড, স্বাধীনতা বা নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কোনো সামরিক আগ্রাসন বরদাস্ত করবে না।
এমএমআর