ইরানের তেল রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধকে ‘বড় সাফল্য’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন দেশটির সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন।
তার মতে, এই অবরোধ ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। তাই এটি বহাল রাখা উচিত।
মার্কিন টেলিভিশন নেটওয়ার্ক নিউজন্যাশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বোল্টন বলেন, ইরানকে তেল ও অন্যান্য পণ্য রপ্তানি থেকে বিরত রাখতে অবরোধ ‘খুবই কার্যকর’ হয়েছে।
বোল্টন বলেন, ‘এটি খুবই ভালো বিষয়। যুদ্ধের শুরু থেকেই আমাদের এই অবরোধ চালু রাখা উচিত ছিল।’
তবে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপের ক্ষেত্রে চীনকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি। চীন দীর্ঘদিন ধরে ইরানের তেলের অন্যতম প্রধান ক্রেতা। বোল্টনের দাবি, চীনের ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরান আর্থিক সম্পদ সরাতেও সক্ষম হয়েছে।
ইরানকে টিকিয়ে রাখতে যেসব দেশ সহায়তা করছে, তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই কঠোর পদক্ষেপ নিতে চায়, তাহলে চীনের ওপরই মূল নজর দেওয়া উচিত বলে মনে করেন বোল্টন।
তার মতে, ইরানের তেল কেনার সঙ্গে যুক্ত চীনা ব্যাংক ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে ওয়াশিংটন।
ইরানের ওপর আরো আর্থিক চাপ প্রয়োগের পক্ষেও মত দিয়েছেন বোল্টন। তবে তার মতে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো তেল অবরোধ বহাল রাখা।
বোল্টন বলেন, ‘ইরানের ওপর আরো আর্থিক চাপ প্রয়োগের পক্ষে আমি। তবে মূল বিষয় হলো অবরোধ। এটি বহাল থাকলে সেটি হবে বিশাল একটি অগ্রগতি। এর ফলে ইরানের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে আমি মনে করি। বাকি সবকিছু অতিরিক্ত সুবিধা।’
এএম