হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

বৃথা গেল ট্রাম্পের হুমকি-ধমকি, নিজ শর্তে অনড় রইল ইরান

নিউ ইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণ

আমার দেশ অনলাইন

যুক্তরাষ্টের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি ও সীমিত সামরিক অভিযানের মিশ্রণের মাধ্যমে ইরানকে শান্তি চুক্তির শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে নিতে বাধ্য করার চেষ্টা করলেও তাতে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আসেনি বলে জানা গেছে।

এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ট্রাম্প প্রশাসন ধারাবাহিকভাবে চাপ প্রয়োগ করে আসছে। তবে এক মাসের বেশি সময় পর যুদ্ধ শেষ করার জন্য যে চুক্তির রূপরেখা সামনে এসেছে, তা থেকে বোঝা যাচ্ছে—ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও মূল নীতিগত অবস্থানে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

আসন্ন চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া, যা তেল ও গ্যাস পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরু হওয়ার পর ইরান এই প্রণালী কার্যত অবরোধ করে রেখেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, অন্যান্য জটিল বিষয়গুলো এখনো অমীমাংসিত থেকে যাচ্ছে এবং সেগুলো ভবিষ্যতের আলোচনার জন্য পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে।

মার্কিন কর্মকর্তারা শুরুতে আশা করেছিলেন, প্রণালী খুলে গেলে বিশ্ববাজারে গ্যাসের দাম কমবে এবং আলোচনায় ইরানের দরকষাকষির ক্ষমতা কমে আসবে। কিন্তু বাস্তবে ইরানি বাহিনী প্রণালীতে তাদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের চাপেও অবস্থান শিথিল করেনি।

১৩ এপ্রিল মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দর এলাকায় নৌ অবরোধ শুরু করে, যা এখনও চলমান রয়েছে। একই সময়ে একাধিক জাহাজকে বিকল্প পথে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সামরিক সূত্র।

পরবর্তীতে ট্রাম্প “প্রজেক্ট ফ্রিডম” নামে একটি উদ্যোগ ঘোষণা করেন, যার লক্ষ্য ছিল অবরুদ্ধ জাহাজগুলোকে নিরাপদে প্রণালী থেকে বের করে আনা। তবে এই উদ্যোগ খুব সীমিত সফলতা পায় এবং পরে তা স্থগিত করা হয়।

বারবার সামরিক হামলার হুমকি দিলেও বাস্তবে বড় কোনো অভিযান পরিচালনা করেননি ট্রাম্প। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ও আন্তর্জাতিকভাবে অজনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং তেল-গ্যাসের দাম বাড়িয়ে বৈশ্বিক চাপ সৃষ্টি করে।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধের পর ইরানের নেতৃত্ব আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে এবং তারা বিশ্বাস করছে যে বহিরাগত চাপ সত্ত্বেও ইসলামিক প্রজাতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়েছে।

অন্যদিকে, আলোচনার গতি ও চুক্তির কাঠামো নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও ইরান তাদের মূল অবস্থানে অনড় রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এমপি

কাতারের মধ্যস্থতায় তেহরানের জব্দকৃত সম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা, তেলের দামে বড় পতন

উপসাগরীয় আকাশসীমায় শত্রু ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান

শান্তি চুক্তি আলোচনায় কাতারে পৌঁছেছেন ইরানের শীর্ষ প্রতিনিধিদল

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ধাক্কা খেল সৌদি যুবরাজের ট্রিলিয়ন ডলারের স্বপ্ন

সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত হলে পরমাণু ইস্যুতে আলোচনা হবে: বাঘাই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি সত্ত্বেও মক্কায় বিদেশি হাজিদের ঢল

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি সেনা নিহত

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলায় ৩ জন নিহত

ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া