হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

ইসরাইলের নির্বাচন: পরিবর্তন ও ফিলিস্তিনিবিরোধী মনোভাবের লড়াই

আলজাজিরা

উগ্র ইহুদি নেতা ইতামার বেন গভিরের এক সমর্থক। ছবি: এএফপি

ইসরাইলের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী—কোনো জোটই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। অথচ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সুযোগ থাকলেও আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গড়তে দুই শিবিরের কোনোটিই আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে না। ফলে দেশটির পরবর্তী সরকার কেমন হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। নেতানিয়াহুকে সরিয়ে পরিবর্তন আনার আকাঙ্ক্ষা এবং আরব দলগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা না করার অবস্থান ইসরাইলের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।

মঙ্গলবারের এই নির্বাচনকে ইসরাইলের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। এতে ভোট দিয়েছেন যোগ্য ভোটারদের ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশ। ১৯৯৯ সালের পর দেশটিতে এটিই সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি।

বুধবার বিকেল পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন বিদায়ী জোট পেয়েছে ৫৪টি আসন। তার লিকুদ পার্টিকে কেন্দ্র করে গঠিত এই জোট সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন থেকে পিছিয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে, সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৯টি আসন। এই জোটে রয়েছে ইয়ার গোলানের তুলনামূলক বামঘেঁষা ডেমোক্র্যাটস পার্টি এবং আভিগদর লিবারম্যানের কট্টর ডানপন্থি ইসরাইল বেইতেনুর মতো ভিন্ন অবস্থানের দল। তবে ১২০ সদস্যের পার্লামেন্টে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তারাও পায়নি।

এ অবস্থায় ক্ষমতার ভারসাম্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে আরব-প্রধান দুই দল রা’আম ও জয়েন্ট লিস্ট। দল দুটির সম্মিলিত আসনসংখ্যা ১৭। তাত্ত্বিকভাবে তাদের সমর্থন পেলে দুই জোটের যেকোনো একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে। পার্লামেন্টের স্পিকার নির্বাচন, আইন পাস এবং কার্যকর সরকার গঠনের জন্যও এই সমর্থন যথেষ্ট হতে পারে।

তবে আসনসংখ্যার এই হিসাব এখনো চূড়ান্ত নয়। শুক্রবারের মধ্যে ভোট গণনা শেষ হওয়ার কথা। ৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ফল প্রকাশ করা হবে।

সরকার গঠনের পরবর্তী প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক সমীকরণের পাশাপাশি সাংবিধানিক নিয়মও গুরুত্বপূর্ণ। প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ প্রথমে দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। তারা কাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চান, তা জানতে চাইবেন তিনি। এরপর যার সরকার গঠনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে মনে হবে, তাকেই দায়িত্ব দেবেন।

সরকার গঠনের জন্য ওই প্রার্থী ২৮ দিন সময় পাবেন। প্রয়োজনে আরো ১৪ দিন সময় বাড়ানো যেতে পারে। তিনি ব্যর্থ হলে অন্য কোনো পার্লামেন্ট সদস্যকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। দ্বিতীয় প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হলে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হবে এবং নতুন নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে। সে পর্যন্ত বর্তমান মন্ত্রিসভা তত্ত্বাবধায়ক সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

ফিলিস্তিনি নাগরিকদের ভোট বেড়েছে

ইসরাইলের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত নাগরিক। কিছু হিসাব অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে তাদের ভোট দেওয়ার হার প্রায় ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যেও ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, লিকুদ নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে ফিলিস্তিনি সংখ্যালঘুদের প্রতি কঠোর আচরণ ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার পর এই কঠোরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে তারা মনে করেন। ওই হামলার পর গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলের গণহত্যামূলক যুদ্ধ শুরু হয়।

নেতানিয়াহুর বিদায়ী সরকারকে ইসরাইলের ইতিহাসের সবচেয়ে ডানপন্থি সরকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সরকারের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভির ও অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচের মতো কট্টর ডানপন্থি নেতারা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে নীতি ও বক্তব্যের জন্য পরিচিত।

বিশ্লেষকদের মতে, তাদের এসব নীতি ও বক্তব্য আরবপন্থি দলগুলোর সমর্থন বাড়াতেও ভূমিকা রেখেছে।

ইসরাইলের ভোটারদের আচরণ ও নির্বাচনী কৌশল নিয়ে গবেষণা করেন যুক্তরাজ্যের এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক রই জুর। তিনি আলজাজিরাকে বলেন, সুসংগঠিত দুটি তালিকা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় আরব দলগুলোর ভোট সংগ্রহ এবং মাঠপর্যায়ে ভোটারদের সংগঠিত করার সক্ষমতা বেড়েছে। বিশেষ করে ইসলামপন্থি দল রা’আম এবার আগের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকরভাবে প্রচার চালিয়েছে।

জুরের মতে, এর পেছনে আরো বড় কারণ হলো ইসরাইলের রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান নিয়ে ভোটারদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। ৭ অক্টোবরের হামলা এবং এরপর সরকারের নীতির প্রেক্ষাপটে এই পরিবর্তন এসেছে।

তিনি বলেন, ইসরাইলের সমাজের সঙ্গে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের একাংশের সম্পৃক্ততা বেড়েছে। ৭ অক্টোবরের হামলা ও পরবর্তী সময়ে সরকারের পদক্ষেপগুলোকে তারা যেভাবে দেখেছেন, তাতে রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি তাদের আগ্রহও বেড়েছে। ফলে এই ব্যবস্থায় নিজেদের কণ্ঠস্বর আরো জোরালো করার সুযোগ তারা কাজে লাগাতে চাইছেন।

দুই শিবিরেই বর্ণবাদী প্রচারের অভিযোগ

তবে নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী—দুই শিবিরের প্রচারকৌশল নিয়েই সমালোচনা হয়েছে। সমালোচকেরা উভয় পক্ষের প্রচারকে গভীরভাবে বর্ণবাদী বলে বর্ণনা করেছেন।

লিকুদ নির্বাচনী প্রচারের বড় অংশজুড়ে দাবি করেছে, ভোটের পর বিরোধীরা আরব দলগুলোর ওপর নির্ভর করে সরকার গঠনের পরিকল্পনা করছে। তবে এই দাবির পক্ষে প্রমাণ দেওয়া হয়নি। একই সময়ে জয়েন্ট লিস্টকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে বিরত রাখার আবেদনও জানিয়েছিল দলটি।

বিরোধী শিবিরের লিবারম্যান আরব দল কিংবা অতি-রক্ষণশীল ইহুদি দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। অন্যদিকে, ২০২১-২২ সালে রা’আমকে নিয়ে জোট সরকার পরিচালনা করা নাফতালি বেনেটও অবস্থান বদলেছেন। ‘টুগেদার’ দলের এই নেতা সম্প্রতি এক কর্মী সম্মেলনে বলেন, ৭ অক্টোবরের হামলার পর আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠনের কোনো ম্যান্ডেট নেই।

ইসরাইলের সাবেক সরকারি উপদেষ্টা ড্যানিয়েল লেভি মনে করেন, বিরোধীরা নেতানিয়াহুকে হারানোর জন্য তার মতো অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা ভোটারদের সামনে কার্যকর কোনো বিকল্প বা আশার বার্তা দিতে পারেনি।

নেতানিয়াহুকে ইসরাইলে প্রচলিতভাবে ‘বিবি’ নামে ডাকা হয়। লেভি বলেন, বিরোধীরা যেন ‘বিবির হালকা সংস্করণ’ হয়ে তাকে হারাতে চেয়েছে।

তার মতে, নেতানিয়াহুকে সরানোর অঙ্গীকারের চেয়ে বর্ণবাদী ও জাতিগত পরিচয়কেন্দ্রিক জায়নবাদী রাজনীতির প্রতি বিরোধীদের অঙ্গীকার বেশি ছিল। এ কারণে তারা নির্বাচনে যে ফল পেয়েছে, সেটিই তাদের প্রাপ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সরকার গঠনে চার সম্ভাবনা

বর্তমান পরিস্থিতিতে সামনে চারটি সম্ভাবনা দেখছেন লেভি। এগুলো কোনো নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানো নয়।

প্রথমত, নতুন নির্বাচন হতে পারে। দ্বিতীয়ত, লিকুদ বিরোধী জোটের ডানপন্থি অংশ থেকে পর্যাপ্তসংখ্যক সদস্যকে নিজেদের পক্ষে টেনে সরকার গঠন করতে পারে। তৃতীয়ত, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে পার্লামেন্টের ডানপন্থি অংশকে নিয়ে একটি ‘জাতীয় ঐক্যের সরকার’ গঠিত হতে পারে। চতুর্থত, আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধীরা নেতানিয়াহুবিরোধী সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে কাজে লাগিয়ে আরব দলগুলোর সমর্থনে সংখ্যালঘু সরকার গঠন করতে পারে।

লেভির মতে, আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে বিরোধীরা সরকার গঠন করলে পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত সরকারটির মেয়াদ সীমিত রাখার ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আরব দলগুলোর দাবিদাওয়া খুব বেশি হবে না বলে তার ধারণা। তবে এমন সরকার গঠনের সম্ভাবনা কম বলেও মনে করেন তিনি।

জোট বদলের হিসাব-নিকাশ

তীব্র রাজনৈতিক মেরুকরণের মধ্যে কোনো দলের সদস্য অন্য শিবিরে যোগ দেবেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। আইজেনকোটের জোটের নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম বিষয় ছিল অতি-রক্ষণশীল ইহুদিদের বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা থেকে কার্যত অব্যাহতি দেওয়ার বিরোধিতা। লিকুদ নেতৃত্বাধীন সরকার পার্লামেন্টে সমর্থনের বিনিময়ে অতি-রক্ষণশীল দলগুলোকে এই সুবিধা দিয়ে আসছিল।

এ ছাড়া ৭ অক্টোবরের হামলার আগে সরকারের নিরাপত্তাব্যবস্থায় ব্যর্থতা ছিল কি না, তা তদন্তে স্বাধীন কমিশন গঠনের দাবিও জোরালো হয়েছে। হামলার আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিসর সতর্কবার্তা দিয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে যে দাবি এসেছে, তাতে তদন্তের দাবি আরো গুরুত্ব পেয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষক মাইরাভ জন্সজেইন মনে করেন, অতি-রক্ষণশীলদের সামরিক সেবার প্রশ্ন এবং ৭ অক্টোবরের ঘটনা আইজেনকোটকে নেতানিয়াহুর শিবিরের সঙ্গে কাজ করা থেকে বিরত রাখতে পারে।

তিনি বলেন, আইজেনকোটের প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন এবং সবার জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা। ফলে নেতানিয়াহুসহ তার শিবিরের অনেকের সঙ্গে সমঝোতা করা তার পক্ষে কঠিন হবে।

তবে বেনেট ও লিবারম্যানের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে বলে মনে করেন জন্সজেইন। ২০২১ সালে বেনেট নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসে রা’আমের সঙ্গে জোট সরকার গঠন করেছিলেন। জন্সজেইনের ভাষায়, বেনেট আগেও একবার নিজের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন।

অন্যদিকে, নেতানিয়াহুকে অপছন্দ করলেও লিবারম্যান নিজে একজন কট্টর ডানপন্থি রাজনীতিক। ফলে উদারপন্থি রাজনীতির সম্ভাবনা ঠেকাতে তার দল লিকুদের সঙ্গে জোট গঠন করতে পারে কি না, সেই প্রশ্নও রয়েছে।

এখনো নানা সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। লেভিসহ কয়েকজনের ধারণা, ক্ষমতায় থাকার পথ তৈরি করতে নেতানিয়াহুর সরকার ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। এমন পরিস্থিতিকে জরুরি সরকার গঠনের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করার সম্ভাবনাও তারা উড়িয়ে দিচ্ছেন না।

তবে তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল বার তাল মনে করেন, শেষ পর্যন্ত সরকার গঠনের বিষয়টি নির্ভর করবে পার্লামেন্টের আসনসংখ্যা ও জোটের হিসাব-নিকাশের ওপর।

তিনি বলেন, ইসরাইলের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত কঠিন সময়। বিরোধীরা ক্ষমতায় যাওয়ার অনেক সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি।

বার তালের মতে, ইসরাইলের অধিকাংশ নাগরিক ডানপন্থি, বর্ণবাদী, ধর্মীয় ও জাতীয়তাবাদী মনোভাবাপন্ন। নির্বাচনের পর দেশটির রাজনৈতিক সংকটের মূল দ্বন্দ্বটি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তারা পরিবর্তন চান, কিন্তু আরব দলগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করতে চান না।’

এএম

যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-১ ড্রোন ধ্বংসের দাবি ইরানের

ইতিহাসের ভুল পথে নেতানিয়াহু, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান ওলমার্টের

এডেন বিমানবন্দরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসরাইল কে শাসন করছে, তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই হিজবুল্লাহর

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করলেন খামেনি

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন নেতানিয়াহু

ট্রাম্প-এরদোয়ান ফোনালাপ, হরমুজ নিয়ে যে কথা হলো

রাজনৈতিক জটিলতায় আটকে গেল ইসরাইল, নির্বাচনের পরও অমীমাংসিত সমীকরণ কেন

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ আমরা শুরু করিনি: ট্রাম্প

নির্বাচনে অচলাবস্থায় অন্ধকার পথে ইসরাইল, বিভক্তির পুরোনো ক্ষত আরো গভীরে