হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

ইসরাইলে আসন্ন নির্বাচন ঘিরে তীব্র হচ্ছে রাজনৈতিক বিতর্ক

দ্য গার্ডিয়ান

ইসরাইলে আগামী ২৭ অক্টোবরের জাতীয় নির্বাচন দেশটির গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যতের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে । ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে নির্বাহী ক্ষমতার ওপর বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে। ২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা সীমিত করার উদ্যোগের পরও বিষয়টি ইসরাইলি রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে আছে। নির্বাচনের পর সরকার বিচার বিভাগের ওপর আরো নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করতে পারে।

নির্বাচনী প্রচারণাতেও রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। ইসরাইলের বিরোধী রাজনীতিক ইয়াইর গোলানের বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর স্ত্রী সারা নেতানিয়াহুর করা একটি অভিযোগ আলোচিত হচ্ছে। গোলান ৭ অক্টোবর ২০২৩-এর হামলার সময় দক্ষিণ ইসরাইলে গিয়ে কয়েকজনকে উদ্ধার করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগটি প্রমাণিত নয়; নেতানিয়াহু এ-সংক্রান্ত একটি পৃথক অভিযোগও অস্বীকার করেছেন।

ইসরাইলের রাজনৈতিক বিতর্কের পাশাপাশি পশ্চিম তীরের পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিম তীরের কয়েকটি এলাকায় বসতি সম্প্রসারণ, ফিলিস্তিনি বসতিতে হামলা ও উচ্ছেদের অভিযোগ এবং নতুন বসতি ও অবৈধ আউটপোস্ট গড়ে ওঠার কারণে সেখানকার বাস্তবতা দ্রুত বদলাচ্ছে। ২০২৩ সালের পর থেকে পশ্চিম তীরে প্রায় ২৫০টি নতুন বসতি ও আউটপোস্ট গড়ে উঠেছে।

পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণের ফলে ফিলিস্তিনি জনবসতিগুলো পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। এ ধরনের ভৌগোলিক পরিবর্তন ভবিষ্যতে একটি কার্যকর ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে। একই সঙ্গে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার অভিযোগও ওঠেছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের ইসরাইলি বসতি-সংশ্লিষ্ট নিষেধাজ্ঞার উদ্যোগের প্রভাব নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তি আশঙ্কা করছেন, নিষেধাজ্ঞার তাৎক্ষণিক প্রভাব বসতি স্থাপনকারীদের পরিবর্তে ফিলিস্তিনিদের ওপর পড়তে পারে। একই সঙ্গে তিনি গাজা ও পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সমাজের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

ইসরাইলের আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে আরেকটি আলোচিত বিষয় হচ্ছে দেশটির গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক মেরুকরণ। তাই ‘নির্বাচনটি ইসরাইলের শেষ নির্বাচন হতে পারে। নির্বাচনের ফল কী হবে বা পরবর্তী সরকার কী ধরনের নীতি গ্রহণ করবে, তা এখনো নির্ধারিত নয়।

২৭ অক্টোবরের ভোটে তাই ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, গাজা যুদ্ধের রাজনৈতিক প্রভাব এবং পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ—সবগুলো বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার অংশ হয়ে উঠেছে। তবে এসব ইস্যুতে বিভিন্ন পক্ষের অবস্থান ও ব্যাখ্যা ভিন্ন হওয়ায় নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক বিতর্ক আরো তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইরানের শর্ত পূরণ না হলে হরমুজ খুলবে না: গালিবাফ

নিরস্ত্র ফিলিস্তিনিকে হত্যাকারী সেনার দণ্ড মওকুফ করলেন ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট

হুথিদের ঠেকাতে ইয়েমেন সংঘাতে জড়িয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইয়েমেন সংঘাতে না জড়াতে পাকিস্তান ও তুরস্ককে হুথিদের হুঁশিয়ারি

নিরাপত্তার সংকট গভীর হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে, মক্কা চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন

গাজায় ইসরাইলের হামলায় হামাস কমান্ডারসহ নিহত ৫

নতুন ‘এআই ফোর্স’ গঠন করবেন ট্রাম্প

সমন্বিত হামলার জন্য অস্ত্রসস্ত্র ও যুদ্ধবিমান জড়ো করছে সৌদি ও মিত্ররা

সিরিয়ায় সেনাঘাঁটিতে বিস্ফোরণ, নিহত ১১

যুদ্ধ শেষ করার শর্ত কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে পাঠানো হয়েছে: তেহরান