হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন পুতিন

আমার দেশ অনলাইন

রানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: আনাদোলু

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও সরাসরি সামরিক সংঘাত শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই ইরানকে সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

মঙ্গলবার কিরগিজস্তানে এক সম্মেলনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আশ্বাস দেন।

পুতিন বলেন, এই ‘কঠিন সময়ে’ ইরানের প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং ‘প্রয়োজনীয় পণ্য’ সরবরাহ অব্যাহত রাখবে মস্কো।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই রাশিয়া তেহরানকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করে আসছে। এর মধ্যে পারস্য উপসাগরে থাকা মার্কিন সামরিক সম্পদ সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য এবং ড্রোন তৈরির যন্ত্রাংশ সরবরাহের বিষয় রয়েছে।

এরই মধ্যে রাশিয়ার গোপন সামরিক সহায়তার আরো তথ্য সামনে এসেছে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, ২০২৩ সাল থেকে রাশিয়া গোপনে ইরানকে উন্নত প্রযুক্তির সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সহায়তা করছে। এই কর্মসূচির সাংকেতিক নাম ‘সি৪৩০এল’।

কনফ্লিক্ট আর্মামেন্ট রিসার্চের বিশ্লেষক ফ্যাবিয়ান হিনজ ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির জন্য ‘কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রযুক্তি’ রাশিয়া থেকে ইরানে হস্তান্তরে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের রাজনৈতিক অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

সাবেক সিআইএ সামরিক বিশ্লেষক জিম ল্যামসন বলেন, এই প্রযুক্তি ইরানকে ‘গুণগতভাবে নতুন একটি কৌশলগত অস্ত্রব্যবস্থা’ দিতে পারে। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজগুলো হুমকির মুখে পড়তে পারে।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়েও আলোচনা রয়েছে। ইউএসএ টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান ‘খেইবার শেকান’ বা ‘ক্যাসল ব্রেকার’ নামে একটি নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করেছে।

ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্ভবত চীন ও রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তায় তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এড়িয়ে যেতে পারে এবং আগের তুলনায় অনেক বেশি নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

এর মধ্যে গত রাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরস্পরের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালিয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাইয়ের পর দুই দেশের মধ্যে এটিই প্রথম বড় ধরনের সরাসরি সামরিক সংঘাত।

ইরান জানিয়েছে, এসব হামলার জবাব দেওয়া হবে। তেহরান আরো ‘বিধ্বংসী হামলা’ চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

ইরান আরো দাবি করেছে, তাদের পাল্টা হামলায় জর্ডান ও ইরাকে বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। তবে এই দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি।

এএম

ইসরাইলকে মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির মূল হোতা বলল মিসর, সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তান

তেহরান-মস্কোর কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদারে দুই প্রেসিডেন্টের বৈঠক

বিকল্প পাইপলাইনে তেল পরিবহন বাড়াচ্ছে সৌদি আরব

হরমুজ প্রণালিতে নতুন করে উত্তেজনা, তেলের দাম বেড়ে ১১৪ ডলার

পুরো পশ্চিম তীরে পূর্ণ লকডাউনের নির্দেশ নেতানিয়াহুর

জেরুজালেমেই আক্রান্ত নেতানিয়াহু, গাড়িবহরে হামলা

মুজতবা খামেনি কেন জনসমক্ষে আসেন না, জানালেন ইরানি কূটনীতিক

ফের হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে ৭ দেশের তেল স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেবে ইরান

হামলার মুখে আরামকোর সদর দপ্তর থেকে কর্মীদের সরিয়ে নিচ্ছে সৌদি

পশ্চিম তীরে ৩৬ ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করল ইসরাইল