হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

গবেষণা কেন্দ্রে হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ বলল ইরান

আমার দেশ অনলাইন

ইসমাইল বাঘাই। ছবি: আল-জাজিরা

গত মার্চ মাসে ইরানের ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘পাস্তুর ইনস্টিটিউট অব ইরান’–এ সংঘটিত মার্কিন ও ইসরাইলি যৌথ হামলাকে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান। এই হামলাকে একটি ‘স্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স–এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘ইরানের পাস্তুর ইনস্টিটিউটে মার্কিন-ইসরাইলি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা ছিল একটি স্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ। এর জন্য দায়ী অপরাধীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।’

ইসমাইল বাঘাই উল্লেখ করেন, শতবর্ষ পুরোনো এই বৈজ্ঞানিক ও জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানোর অর্থ হলো ইরানি বেসামরিক জনগণের স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান এবং বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকারের ওপর আঘাত হানা।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় মেডিকেল জার্নাল ‘দ্য ল্যানসেট’-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় বাঘাই এই মন্তব্য করেন।

ল্যানসেটের ওই প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছিল, এই ইনস্টিটিউটটি ধ্বংসের ফলে আঞ্চলিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়েছে।

ল্যানসেটের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নিশ্চিত করেছে সাম্প্রতিক এই বোমা হামলার পর প্রতিষ্ঠানটি পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়েছে এবং এটি আর কোনো স্বাস্থ্যসেবা দিতে সক্ষম নয়। বছরের পর বছর ধরে চলা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা এমনিতেই নাজুক পরিস্থিতিতে ছিল, যার মধ্যে এই বিমান হামলা প্রতিষ্ঠানটিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিল।

সূত্র: আল-জাজিরা

এএম

ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে ইসরাইলি সেনার কারাদণ্ড

সব দেশ ট্রাম্পের বশ্যতা মেনেছে, ব্যতিক্রম শুধু ইরান

গাজায় ইসরাইলি হামলায় একই পরিবারের ৪ জন নিহত

মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

কুয়েতে ইরানের হামলায় পুড়ল যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ কেন্দ্র

ইরানের শিপিং নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা

চুক্তি না হলে আগামী সপ্তাহে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি ট্রাম্পের

জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সপ্তম দফায় ইরানের হামলা

ট্রাম্পের দৃষ্টি কেন ইরানের পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে

ফিলিস্তিনি চিকিৎসককে অবিলম্বে মুক্তির দাবি মার্কিন আইনপ্রণেতার