হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

মিশরে প্রতিবিপ্লব: যেভাবে নতুন প্রজাতন্ত্রের স্বপ্ন ভেঙে দিলেন সিসি

আমার দেশ অনলাইন

প্রেসিডেন্ট মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর জেনারেল সিসি কিছু মিশরীয়র কাছে নায়ক হয়ে ওঠেন। ছবি: সংগৃহীত।

মিশরীয়রা যখন ২০১১ সালে হোসনি মুবারকের শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল, তখন মিশরীয় লেখক হোসাম আল হামালাউয়ির মতো অনেকেই বিশ্বাস করে যে তারা একটি একনায়কতন্ত্রের অবসানের সাক্ষী হচ্ছেন।

তবে পনেরো বছর পর এটি এখন আরো স্পষ্ট যে, এর পরে যা ঘটেছে তা কেবল পুরোনো শাসনের প্রত্যাবর্তন নয় বরং তা ছাড়িয়ে গেছে। বরং এটি আরো কঠোর, আরো কেন্দ্রীভূত এবং সহিংসতায় আরো উচ্চাভিলাষী কিছুর জন্ম দিয়েছিল। এটি একটি নতুন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল।

মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ে লেখক আল হামালাউয়ি তার নতুন বই ‘মিশরে প্রতিবিপ্লব: সিসির নতুন প্রজাতন্ত্র’ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মিশরের শাসন ব্যবস্থায় বিপ্লব প্রতিবিপ্লব নিয়ে তুলে ধরেছেন।

লেখক জানান, মিশরের শুধু নিরাপত্তা খাতের একজন গবেষক হিসেবেই নয় বরং গ্রেপ্তার, নির্যাতন, নজরদারি এবং কালো তালিকাভুক্ত থাকা অবস্থান থেকে তিনি এ বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন।

তিনি জানান, এটি স্বৈরাচারী শাসনের স্থিতিশীলতার কোনো বিমূর্ত প্রশ্ন নয়। বরং এটি ব্যাখ্যা করার একটি প্রচেষ্টা যে, কীভাবে শাসনব্যবস্থাকে একেবারে নাড়িয়ে দেওয়া একটি বিপ্লব পরাজিত হয়েছিল, এবং সেই পরাজয় থেকে উদ্ভূত রাষ্ট্রটি তার পূর্ববর্তী রূপ থেকে কেন এত ভিন্ন।

পুলিশি রাষ্ট্রের উত্থান

মুবারকের আমলে আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী হলেও বিচ্ছিন্ন ছিল। তবে এই বিচ্ছিন্নতা কোনো ত্রুটি ছিল না, বরং তা পরিকল্পনারই একটি অংশ ছিল।

১৯৫২ সাল থেকেই মিশরীয় শাসকেরা অভ্যুত্থান প্রতিরোধের জন্য দমনমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। পরস্পর কার্যক্ষম ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিদ্বন্দ্বী সংস্থাগুলো একে অপরকে নিয়ন্ত্রণে রাখত।

সেনাবাহিনী, জেনারেল ইন্টেলিজেন্স, মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়—সবগুলোরই নিজস্ব এলাকা, পৃষ্ঠপোষকতার নিজস্ব উৎস এবং নিজস্ব সন্দেহ ছিল।

মুবারকের মূল ভয় কোনো গণঅভ্যুত্থান ছিল না বরং অনেক স্বৈরশাসকের মতোই তিনি ভেতর থেকে একটি অভ্যুত্থানের আশঙ্কা করতেন। সেই ভয়ই রাষ্ট্রকে এমন কাঠামোতে রূপ দিয়েছিল। মুবারকের শাসনামলের কেন্দ্রে পুলিশের ভূমিকা তাই ব্যাখ্যা করে। মূলত শাসকগোষ্ঠীর এমন একটি রক্ষী বাহিনীর প্রয়োজন ছিল যা সেনাবাহিনীর ওপর অতিরিক্ত নির্ভর না করেই বিশৃঙ্খলা দমন করতে সক্ষম।

সময়ের সাথে সাথে পুলিশ ব্যাপক আকারে অস্ত্রসজ্জিত হয়ে ওঠে। এই প্রেক্ষাপটে ১৯৯০-এর দশকের তথাকথিত সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এটি পুলিশি ক্ষমতা সম্প্রসারণ, নির্যাতনকে স্বাভাবিকীকরণ এবং জনসংখ্যার একটি বিশাল অংশকে বিশেষ করে গরিব মানুষদের—নাগরিক হিসেবে সুরক্ষা দেওয়ার বদলে সন্দেহভাজন হিসেবে দেখা হয় এবং তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ বা দমন করার মতো আচরণ করা হয়।

২০০০-এর দশকে পুলিশ শুধু রাজনৈতিক ভিন্নমতই দমন করছিল না, তারা দৈনন্দিন সন্ত্রাসের মাধ্যমে শাসন চালাচ্ছিল। প্রায় প্রতিটি মিশরীয় জানত—পুলিশের হাতে ধরা পড়লে থামানো, চড় মারা, টাকা আদায় করা, অপমান করা বা নির্যাতনের শিকার হওয়া কতটা সাধারণ ঘটনা।

থানাগুলো নির্যাতন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল এবং চেকপয়েন্টগুলো শ্রেণি আধিপত্যের হাতিয়ারে রূপান্তরিত হয়েছিল।

পুরো এলাকাগুলোকে শত্রু এলাকা হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল। ২০১১ সালের জানুয়ারিতে যখন বিদ্রোহ শুরু হয়, তখন বিক্ষোভকারীরা যে পুলিশ স্টেশন জ্বালিয়ে দিয়েছিল এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা দপ্তরগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল, তা কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না।

এই হামলাগুলো অন্ধ রাগের ফল ছিল না, বরং মানুষ পরিষ্কারভাবে বুঝেছিল যে তাদের ওপর যে দমন-পীড়ন চলছে, তার মূল উৎস কোথায়। তাই তারা সচেতনভাবেই সেই জায়গাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছিল।

পুরনো ব্যবস্থা, নতুন পরিস্থিতি

তাহরির স্কোয়ারের বিখ্যাত দৃশ্যগুলো (প্রতিবাদের ছবি) একটা গুরুত্বপূর্ণ সত্যকে ঢেকে দেয়—
২০১১ সালের ২৮ জানুয়ারি পুলিশ পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।

সেই পতন শাসকগোষ্ঠীর জন্য একটি ঐতিহাসিক ধাক্কা ছিল এবং সেনাবাহিনী তলব করা ছাড়া মুবারকের আর কোনো উপায় ছিল না।

এখানে আরেকটা ভুল ধারণা ভাঙা দরকার— সেনাবাহিনী বিপ্লবের পক্ষে ছিল না। তারা অভ্যুত্থানকে বাঁচাতে কায়রোতে প্রবেশ করেনি বরং তারা রাষ্ট্র ও শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে এসেছিল। গণতান্ত্রিক দাবির প্রতি সহানুভূতি নয়, বরং তারা হিসাব করে দেখছিল, কোন পদক্ষেপ নিলে তাদের ক্ষমতা ও স্বার্থ সবচেয়ে ভালোভাবে রক্ষা পাবে।

সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এটা বুঝতে পেরেছিল যে এখন একটি গণহত্যা নিম্ন ও মধ্য-পদস্থ কর্মকর্তা বা বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া সৈন্যদের মধ্যে বিদ্রোহ উস্কে দিতে পারে। যেখানে অনেকেই সামাজিকভাবে শীর্ষ কর্মকর্তাদের চেয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে অনেক বেশি ঘনিষ্ঠ ছিল।

তাই সেনাবাহিনী অধিক ধৈর্যশীল ভূমিকা পালন করল। আর প্রচলিত ব্যবস্থাটিকেই রক্ষা করার জন্য তারা মুবারকের পতন হতে দেয়। তারপর এটি রূপান্তরের দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং বিপ্লবী প্রক্রিয়াটিকে দমন, খণ্ডিত ও নিঃশেষ করার জন্য পদ্ধতিগতভাবে কাজ করে।

বছরের পর বছর ধরে ‘২০১১ সালের শুরুতে সেনাবাহিনীর অবস্থান’কে মহিমান্বিত করার একটি প্রবণতা ছিল, যেন তা রাজনীতির ঊর্ধ্বে ছিল। কিন্তু সত্যিকারার্থে তা ছিল না।

সেনাবাহিনী শুরু থেকেই বিপ্লববিরোধী শক্তি ছিল, যদিও তারা শুরুতে সতর্কভাবে (ধীরে) এগিয়েছিল। সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ পরিষদ (স্ক্যাফ) পুরোনো শাসনব্যবস্থা ভাঙার জন্য নয়—
বরং নতুন পরিস্থিতিতে সেটিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য কাজ করছিল।

পরবর্তী মাসগুলোতে এ বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হলেও, এর মূল কর্মী ও কার্যাবলী একটি নতুন নামে টিকে থাকে।

সেনাবাহিনী বিক্ষোভকারীদের দমন করেছে, বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে সামরিক বিচার ব্যবহার করেছে এবং বিচারহীনতার কাঠামোকে রক্ষা করেছে।

রাষ্ট্রকে ভুলভাবে বোঝা

এদিকে, মুসলিম ব্রাদারহুড রাষ্ট্রক্ষমতা ক্ষমতা লাভের পর সংঘাতের পরিবর্তে একটা সমঝোতার পথ বেছে নিয়েছিল। পুলিশ বা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে সংস্কার করার পরিবর্তে, এটি তাদের নিজেদের পক্ষে আনার চেষ্টা করেছিল এবং ব্যর্থ হয়েছিল।

প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি ও ব্রাদারহুড রাষ্ট্রকে ভুলভাবে বুঝেছিল। তারা এমন আচরণ করেছিল যেন নির্বাচনী বৈধতাই প্রকৃত ক্ষমতা।

প্রকৃতপক্ষে, তারা উত্তরাধিকারসূত্রে রাজনৈতিক পদ পেয়েছিল, কিন্তু প্রকৃত শাসনভার নয়। তারা এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সমঝোতা করার চেষ্টা করেছিল, যাদের স্বায়ত্তশাসন বা বিশেষাধিকার ছেড়ে দেওয়ার ইচ্ছাই কখেনো ছিল না।

এর থেকেও খারাপ হলো—তারা (শাসক বা কোনো রাজনৈতিক শক্তি) বিপ্লবের পক্ষে থাকা অনেক মানুষকেই দূরে সরিয়ে দেয়।

২০১৩ সালের ৩০ জুন ব্রাদারহুডবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়, তবে তার আগেই এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়ে গিয়েছিল যেখানে শক্তভাবে বিপ্লববিরোধীদের আঘাত করা সহজ হয়ে যায়।

২০১৩ সালের অভ্যুত্থান সম্ভব করার পেছনে যে জোট ছিল, তা ছিল বড় এবং ভেতরে ভেতরে বিরোধপূর্ণ।
এই জোটে ছিল—

মুবারক আমলের অবশিষ্ট শক্তি, ব্যবসায়ী অভিজাতরা, বিচার বিভাগের কিছু অংশ, সরকারি আমলারা, মিডিয়ার ব্যক্তিরা, উদারপন্থীরা, নাসেরপন্থীরা, কিছু বামপন্থী, নারী সংগঠন, কপটিক (খ্রিস্টান) গোষ্ঠী। তাদের সবার একটাই মিল ছিল—মুসলিম ব্রাদারহুডের শাসনের প্রতি বিরোধিতা।

২০১৩ সালের অভ্যুত্থানকে সম্ভব করে তোলা জোটটি ছিল ব্যাপক ও পরস্পরবিরোধী। এতে অন্তর্ভুক্ত ছিল মোবারক আমলের অবশিষ্টাংশ, ব্যবসায়ী অভিজাতবর্গ, বিচার বিভাগের একাংশ, রাষ্ট্রীয় আমলা, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, উদারপন্থী, নাসেরপন্থী, কিছু বামপন্থী, নারী সংগঠন এবং কপটিক জনগোষ্ঠী—যারা সবাই ব্রাদারহুড শাসনের প্রতি বৈরিতার কারণে ঐক্যবদ্ধ ছিল।

তাদের অনেকেই বিশ্বাস করতেন যে সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করবে, মুরসিকে অপসারণ করবে এবং তারপর সরে যাবে। তবে তাদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছিল।

নতুন প্রজাতন্ত্র

সিসির উত্থান শাসকগোষ্ঠীর মধ্যে কেবল আরেকটি আবর্তন ছিল না, বরং তা ছিল একটি কাঠামোগত পরিবর্তন। ২০১১ সালের পর, রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে প্রধান ভয় আর অভ্যুত্থান ছিল না বরং তা হয়ে পড়ে জনগণ।

এই অভ্যুত্থান থেকে দমনমূলক ব্যবস্থার গৃহীত শিক্ষাটি ছিল স্পষ্ট। আর তা ছিল সমাজকে আর কখনো শাসনের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ানোর সুযোগ দেওয়া যাবে না।

এর জন্য প্রয়োজন ছিল পুরোনো বিভাজনের অবসান ঘটিয়ে তার জায়গায় সমন্বয়, পদমর্যাদাক্রম এবং একটি অভিন্ন যুদ্ধ-মানসিকতা প্রতিষ্ঠা করা।

১৯৫২ সালের পর এই প্রথম মিশরের দমনমূলক ব্যবস্থা কার্যকরভাবে একীভূত হয়েছিল। প্রতিদ্বন্দ্বিতা পুরোপুরি বিলুপ্ত না হলেও, তা এক মহত্তর তাগিদের কাছে গৌণ হয়ে পড়েছিল, যেখানে মূল কারণ ছিল আরেকটি বিপ্লব প্রতিরোধ করা।

সংস্থাগুলোকে বশে আনতে সিসি নিজস্ব পৃষ্ঠপোষকতা, শুদ্ধি অভিযান, নজরদারি করার পাশাপাশি নিজে পছন্দমতো ক্ষমতা প্রদানের কৌশল ব্যবহার করেছিলেন।

গোয়েন্দাদের তথ্য আদান-প্রদান বেড়ে যায়, সমন্বয়কারী সংস্থাগুলোর বৃদ্ধি পেয়েছে আর নিরাপত্তা প্রধানরা শাসনের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। এটি কেবল দমন-পীড়নের বাড়ায় নি বরং এর মধ্যে দিয়ে এক ভিন্ন ধরনের রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল।

এই কারণেই লেখক এটিকে নব প্রজাতন্ত্র বলে উল্লেখ করেছেন, অথবা শাসকগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষায় দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র।

এই পরিভাষাটি এমন একটি বিষয়কে তুলে ধরে যা অনেক পর্যবেক্ষক এখনো ধরতে পারেন না। সিসির শাসনব্যবস্থা একটা নতুন ধরনের শাসন মডেল। এখানে সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা সংস্থা শুধু উপরে থেকে রাষ্ট্রকে রক্ষা করে না, বরং রাষ্ট্রের ভেতরেই ঢুকে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে।

আমলাতন্ত্রে এর উদাহরণ দেখা যায়, অনেক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা বেসামরিক সরকারি পদে বসে আছে। গণমাধ্যমে তা দেখা যায়, যেখানে মুবারকের আমলের চেয়েও নিয়ন্ত্রণ আরো কঠোর ও সরাসরি।

নগর পরিকল্পনায় এর প্রতিফলন দেখা যায়, যেখানে ভবন ভাঙা, রাস্তা সম্প্রসারণ, স্মার্ট সিটি এবং নতুন প্রশাসনিক রাজধানী—সবকিছুই নজরদারি ও নিরাপত্তাকরণের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

এখন শুধু পুলিশি নজরদারি নয়, জায়গাগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হচ্ছে যেন মানুষ একত্র হয়ে আন্দোলনই করতে না পারে।

মুবারকের সময় সহিংসতা অনেক সময় প্রতিক্রিয়াশীল ছিল।
কিন্তু সিসির সময় সহিংসতা: আগেই পরিকল্পিত, দেখানোর জন্য, অনেক সময় নাটকীয়ভাবে করা হয়।

রাবা হত্যাকাণ্ড কোনো ব্যতিক্রম ছিল না। এটি ছিল এমন একটি ভিত্তিপ্রস্তর। এটি নতুন ব্যবস্থার শর্তাবলী ঘোষণা করেছিল।

কেন এই শাসন টিকে আছে?

এটা জনপ্রিয়তার বলে নয় বরং ভালোভাবে সুসংগঠিত হওয়ার হয়েছে। ২০১১ সালের অভিজ্ঞতা থেকে তারা শিখেছে, নিজেদের দুর্বলতা ঠিক করেছে, পরে পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজিয়েছে।

এমএমআর

ইসলামাবাদে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী; তেহরান-ওয়াশিংটন সংলাপ পুনরুজ্জীবনের আভাস

পাকিস্তান, ওমান ও রাশিয়া সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতকে ‘নরককুণ্ড’ বলায় ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ দিল্লি

হরমুজে রাশিয়ার জন্য টোল মওকুফ করল ইরান

ইরান যুদ্ধে তেল-বাণিজ্যের ক্ষতি ৫ হাজার কোটি ডলার

আমাদের লক্ষ্য ইসরাইলের দখলদারিত্বের অবসান ঘটানো : লেবাননের প্রধানমন্ত্রী

আলোচনার গুঞ্জনেও যুদ্ধের হুঙ্কার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে বন্দি বিনিময়, মুক্তি পেল ৩৮৬ সেনা

ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার কথা স্বীকার করে যা জানালেন নেতানিয়াহু

আজ রাতে পাকিস্তানে আসতে পারে ইরানের প্রতিনিধিদল