ইরানে নারীরা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্স পেতে পারবেন। বুধবার স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে জিওটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
আগের আইনে নারীদের মোটরসাইকেল বা স্কুটার চালানো স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ ছিল না। তবে বাস্তবে কর্তৃপক্ষ নারীদের লাইসেন্স ইস্যু করত না।
এই আইনি ধূসরতার কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে নারীদেরই আইনগতভাবে দায় বহন করতে হতো, এমনকি তারা ভুক্তভোগী হলেও।
ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ গত মঙ্গলবার ট্রাফিক কোড স্পষ্ট করার লক্ষ্যে একটি প্রস্তাবে সই করেছেন। দেশটির মন্ত্রিসভা জানুয়ারির শেষ দিকে এটি অনুমোদন দেয় বলে জানিয়েছে ইলনা সংবাদ সংস্থা।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ট্রাফিক পুলিশ নারী আবেদনকারীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেবে, পুলিশের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা নেবে এবং নারীদের মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করবে।
১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকে ইরানে নারীরা নানা সামাজিক বিধিনিষেধের মুখে রয়েছেন। মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে পোশাকবিধিও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জনসমক্ষে নারীদের মাথা স্কার্ফ দিয়ে ঢেকে রাখা এবং শালীন, ঢিলেঢালা পোশাক পরা বাধ্যতামূলক।
তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক নারী এসব বিধিনিষেধ অমান্য করছেন। ফলে মোটরসাইকেল চালানো নারীর সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে।