রাজধানীতে মুষলধারে টানা দুই ঘণ্টা বৃষ্টি নেমেছে। বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই আকাশ মেঘলা ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায়। পরে সকাল ১০টায় বৃষ্টি নামা শুরু হয়।
ফলে বৃষ্টিতে বিভিন্ন কাজে বাইরে বের হওয়া মানুষের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। একদিকে মুষলধারে বৃষ্টি, অন্যদিকে যানজটে ভোগান্তির মাত্রা আরও বেড়েছে। টানা বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতারও সৃষ্টি হয়েছে। রাজধানীর গুলিস্তান, সচিবালয়, মতিঝিল, পল্টন, কাকরাইল, ফকিরাপুল, টিকাটুলি, গোপীবাগ, মিরপুর, কাজীপাড়া, শেওরাপাড়া, উত্তরা, বাড্ডা, গুলশানসহ আশপাশে মুষলধারে বৃষ্টি নেমেছে।
এর আগে দুইদিনেও রাজধানীতে বৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বুধবার নগরীতে ৩৩ মিলিমিটার এবং সিলেটে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়।
আবহাওয়াবিদ নাজমুল হক বলেন, এপ্রিল-মে মাসে সাধারণত পশ্চিম দিক থেকে থেকে বৃষ্টি শুরু হয়ে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়। ফলে আর কিছুক্ষণ পর রাজধানীতে বৃষ্টি থেমে গিয়ে নরসিংদীর দিকে চলে যাবে। দুপুরের পর থেকেই রাজধানীতে আবহাওয়ার পরিস্থিতি উন্নতি হবে। তবে উপকূলীয় জেলাগুলোতে আগামীকালও বৃষ্টি হবে।
এদিকে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয় অফিস। আগামী দুই দিন দেশের উপকূলসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। কোথাও কোথাও বজ্রঝড় আবার শিলাবৃষ্টির কথাও বলা হয়েছে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চল হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর হয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমীবায়ু আকিয়াব উপকূল পর্যন্ত আগ্রসর হতে পারে।
এদিকে শুক্রবার রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো/ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এদিন সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

