ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার চাচা শেখ কবিরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও নগদ তিন লাখ টাকা সহ মালামাল লুটে নেওয়ার অভিযোগের মামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সালাউদ্দিন সালমানসহ ৭ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। এছাড়া গ্রেপ্তার অপর সাত শিশুকে গাজীপুরের কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ মাসুদ তাদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
কারাগারে পাঠানো অন্য আসামিরা হলেন, সাজিদুল ইসলাম তাহমিদ, শাহাদাত হোসেন, মীর ফাহাদ আহমেদ উৎস, ছাব্বির আহম্মেদ আবির, সাইফুর রহমান রিয়েল খান এবং ফারহান।
আর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে, পারভেজ হাওলাদার, হৃদয় হোসেন আকাশ, ইমন, নাইম হাওলাদার, রুবেল মিয়া, আরাফাত আহম্মেদ এবং শেখ রাব্বি।
মামলায় অভিযোগ, রাজধানীর পান্থপথে ত্রিধারা টাওয়ারের তৃতীয় তলায় শেখ কবির কাবিকো কনস্ট্রাকশন লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানের ৭ মার্চ দুপুর আসামিরা পরিকল্পিত ও দলবদ্ধভাবে শক্তির মহড়া ও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে। এসময় সেখানকার পিয়ন ইয়াসিন মৃধা এর প্রতিবাদ করলে আসামিরা অফিসের চেয়ার, টেবিল ও অন্যানা আসবাবপত্র ভাঙচুর করে ত্রাস সৃষ্টি করে। এসময় অফিসে থাকা চারটি ডেস্কটপ কম্পিউটার যার মূল্য দুই লাখ টাকা, অফিসের টেবিলের ড্রয়ার ভেঙে নগদ তিন লাখ টাকা লুট করে নেয়। পরে অফিস পিয়নের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন জাতীয় জরুরি সেবায় (৯৯৯ নম্বর) কল করলে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর সহায়তায় কলাবাগান থানা পুলিশ আসামিদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত টাকার মধ্যে নগদ ৩১ হাজার ১৫০ টাকা, বিভিন্ন ধরনের ৮৪টি কয়েন, ২টি চাকু জব্দ করে। এ ঘটনায় পিয়ন ইয়াসিন মৃধা বাদী হয়ে রাজধানীর কলাবাগান থানায় মামলা করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

