ভ্যাপসা গরমে নিজেকে সুস্থ রাখবেন যেভাবে

স্বাস্থ্য ডেস্ক

ভ্যাপসা গরমে নিজেকে সুস্থ রাখবেন যেভাবে

বৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু কমছে না গরম। বৃষ্টির পর গরম যেন আরও বেড়ে যায়। এতে সুস্থ সবলরাই ঘেমেনেয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে শ্রমজীবী, গৃহিণী, গর্ভবতী নারী, প্রবীণ এবং বিভিন্ন রোগে আক্রন্তদের অবস্থা বেশি নাজুক।

এই ভ্যাপসা গরমে অসুস্থতা থেকে রক্ষা পাবেন যেভাবে তা জেনে নিন। 

বিজ্ঞাপন

ভ্যাপসা গরমের তীব্র রোদে বাইরে যাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি খেয়ে নেবেন। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে লবণ ও চিনির পানি বা ওরস্যালাইন খেতে পারেন। এ ছাড়া ডাবের পানি, আম, তরমুজ, লেবুর শরবতও খেতে পারেন। এগুলো শরীরের প্রয়োজনীয় পানি ও লবণের ঘাটতি পূরণ করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

ডিহাইড্রেশন এড়াতে চা-কফি ও কোমল পানীয় খাওয়া কমিয়ে দেওয়া উচিত। এ সময় ভাত, ডাল, সবজি, মাছ খাওয়াই ভালো। হালকা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন এবং পেট একটু খালি রাখুন। ভরপেট খেয়ে রোদে বের হবেন না। এবং খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুয়েও পড়বেন না। 

রোদে বা গরমের মধ্যে অনেকক্ষণ টানা কাজ করবেন না। কাজের ফাঁকে ঠাণ্ডা খোলা স্থানে বিশ্রাম নিয়ে আবার কাজে যোগ দিন। হঠাৎ পেশিতে ব্যথা হলে ব্যথা না কমা পর্যন্ত বিশ্রামি নন। এ সময় ওরস্যালাইনও খেতে পারেন। 

হিট এক্সারশন হলে দ্রুত গরম স্থান থেকে সরে গিয়ে বিশ্রাম নিন। এ সময়টাতে ওরস্যালাইন বা ডাবের পানি বেশ উপকার দেয়। ঘাম শুকানোর পর সম্ভব হলে হাত-মুখ ধুয়ে ফ্যান বা এসি চালিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন।

হাঁপানি রোগীরা অবস্থা বুঝে এ সময় ইনহেলারের একটা পাফ নিতে পারেন। যদি মনে হয় কষ্ট শুরু হতে পারে তাহলে বিলম্ব না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ভ্যাপসা গরমে কেউ অজ্ঞান হয়ে গেলে খুব তাড়াতাড়ি তাকে গরম স্থান থেকে সরিয়ে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে বার বার শরীর মুছে দিন। এবং মাথা ধুয়ে দিন। ফ্যান বা এসি চালিয়ে দিবেন।

স্বাভাবিক ঠাণ্ডা পানিতে গোসলও করাতে পারেন। পানি শূন্যতা পূরণের জন্য ডাবের পানি কিংবা ওরস্যালাইন খাওয়ান। তার পরেও যদি জটিলতা না কমে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন। 

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন