মৌসুমি বায়ুর প্রভাব

সারাদেশে ভারী বৃষ্টি নিয়ে যে তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস

সারাদেশে ভারী বৃষ্টি নিয়ে যে তথ্য দিল আবহাওয়া অফিস

আষাঢ়ের বৃষ্টির মধ্যেও ভ্যাপসা গরমের দাপট এখনো বিদ্যমান। সেই সঙ্গে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করছে ৩৫ ডিগ্রির ঘরে। এই অবস্থায় সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৬ জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। পাশাপাশি আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে দেশের সর্বোচ্চ ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে কুতুবদিয়ায় ২৬ মিলিমিটার ছাড়াও দিনাজপুরে ২৪, সিলেটে ২২, টাঙ্গাইলে ১৯, বরিশালে ১৮ মিলিমিটারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় বর্ধিত ৫ দিনেও বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

এ বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ বলেন, 'মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জুলাই মাসে এমনিতেই বৃষ্টি হয়। আজও হচ্ছে এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়ছে।'

'আগামী কয়েকদিনও একই ধারা বজায় থাকতে পারে। সে হিসেবে আগামী চার-পাঁচ দিন সারাদেশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে', বলেন তিনি।

এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঝাড়খণ্ড ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারী থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

এর আগে, গত শুক্রবার সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির পর দেশের চার সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আজ আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে সেই সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

এতে জানানো হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কা নেই। সে কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন